সিপ্লাস প্রতিবেদক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নামে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অনলাইন চ্যানেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের একটি তালিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তালিকায় ২৮টি চ্যানেলের নাম ও মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।বিষয়টি পুরোটাই মিথ্যা বলে জানিয়েছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন অফিসার মীর আকরাম। কে বা কারা এমনটি করছে তা খতিয়ে দেখবেন বলেও জানান তিনি।
তালিকার উপরে লেখাগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সচিবালয় বানানে উল্লেখ করা হয়েছে ‘বাংলাদেল সচিবালয়’। স্মারক নাম্বার উল্লেখ করা হলেও তা অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তালিকার নিচে লিখা হয়েছে ‘এই চ্যানেল গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো’। কোন প্রকার ব্যাখা এবং স্বাক্ষর ছাড়া এ তালিকার অনেক কিছুতেই বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব।। তালিকায় একটি চ্যানেলের নাম দুইবার উল্লেখ করা হলেও মালিকের নাম দুই জায়গায় দুই রকম।
বিষয়টি সিপ্লাসের নজরে আসার পর সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য যোগাযোগ করা হয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে।
মন্ত্রণালয়ের পিআরও মীর আকরাম সিপ্লাসকে জানান, ‘নিশ্চিত করে বলতে পারি এ ধরনের কোন তালিকা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশ করা হয়নি। কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তালিকাটি আমার কাছে পাঠান। এ ধরনের অপপ্রচার কারা কি কারণে চালাচ্ছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’এর আগে তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এমপির ব্যক্তিগত অফিসার মোঃ কায়সারুল আলমও এমন অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড.হাসান মাহমুদ এমপি অনলাইন মিডিয়া গুলোকে একটি গাইডলাইনে এনে আইন ও নিয়মের মাধ্যমে চালানোর জন্য ইতিমধ্যে আইপিটিভি নীতিমালা কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটির কাজ চলছে। যেখানে সিপ্লাসটিভির এডিটর ইন চিফ আলমগীর অপুও একজন সদস্য। এই বিষয়ে আলমগীর অপু বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করতে নানামূখী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। আর আইপি টিভি কনসেপ্ট ইউরোপ আমেরিকায় ব্যাপক জনপ্রিয় যা বাংলাদেশে এখনো সম্পূর্ণরুপে চালু করতে পারেনি কেউ। নীতিমালা না হওয়ায় বিশাল ইনভেষ্টমেন্টের ঝুকিঁ কেউ নিতে চাইবে বলেও মনে হয় না। তারপরও বলবো- সিপ্লাস কাজ করে ভাষা নিয়ে। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষা ভিত্তিক একটি ভিজ্যুয়াল প্লাটফর্ম সিপ্লাস। ভাষা,কৃষ্টি ও সামাজিক নানা প্রথাগত বিষয় নিয়ে কাজ করে সিপ্লাস যা প্রথাগত টিভি চ্যানেলের মতো নয়। আইপি টিভির জন্য আমরা আবেদন করেছি ২০১৬ সালে। নীতিমালা হলে যদি অনুমোদন পাই, জনপ্রিয় এই প্লাটফর্ম ফেসবুক ইউটিউবের বাইরেও পূর্ণরূপে আসবে ইনশাল্লাহ। তবে এইসব প্রপাগান্ডা বা নেতিবাচক প্রচারণা আমাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে করছে বলে জানান তিনি।









ধন্যবাদ সি প্লাস টিভিকে( Qtvbangla)