জিয়াউল হক ইমন: তিন সন্তানসহ বউকে ফেলে বিয়ে করলেন সাবেক প্রেমিকা ২সন্তানের জননীকে। যেখানে ২০০০ সালে সামাজিকভাবে চান্দগাঁও থানাধীন ৫নং মোহরা ওয়ার্ডের মধ্যেম মোহরা ওয়াসা গেইট হামিদ জমিদার বাড়ির জাহাঙ্গীর আলমের সাথে বিয়ে হয় রাশেদা বেগমের সাথে। তাদের প্রথম ১৪ বছরের সংসার চলছিল মজায় মজায়। এই মজার ভিতরে সংসারে জন্ম নিয়েছে দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তান। হঠাৎ জাহাঙ্গীর আলমের পুরানো প্রেম জেগে উঠায় তার তিন সন্তানসহ স্ত্রীকে ফেলে সাবেক প্রেমিকা খালাতো বোন ২ সন্তানের জননীকে দ্বিতীয় বিয়ে করায় প্রথম সংসারে শুরু হয় অশান্তি আর নানা ঝামেলা। ফলে ডিভোর্স দেন প্রথম স্ত্রীকে।
ডিভোর্স তিনি দিতেই পারেন। পছন্দ অনুযায়ী বিয়েও করতে পারেন। তাতে কোন বাধা নেই। কিন্তু আগে মজা করে যে তিন সন্তানে জন্ম, দিয়েছিলেন তোর দায়কি শুধু বউয়ের? আইন অনুযায়ী গত ৪ বছর ধরে তার প্রথম সংসারের তিন সন্তানদের ভরন-পোষণ না দেওয়ার অভিযোগ করে যখন সিপ্লাসের অফিসে এস কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন এই মহিলা তখন আমাদের বিবেকের মাইক্রোফোন জ্বলে উঠে আর তাইতো এই ঘটনার আসল কাহিনী দেখতে গেলাম।
রবিবার(২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে সিপ্লাসটিভির অফিসে এসে এমন অভিযোগ করেন সাবেক স্ত্রী রাশেদা বেগম।
দীর্ঘদিন থেকে ভরণ পোষণ না পাওয়ায় লেখাপড়া চালিয়ে যেতে এবং চলতে খুব কষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংসারের প্রথম সন্তান এসএসসি পরীক্ষার্থী সুবাহ।
বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর আলম সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি জানিয়েছেন, আমার বিরুদ্ধে ৫টি মিথ্যা মামলা করেছে। তারপরও আমি গ্যাস, বিদ্যুতের বিলসহ সবকিছু পরিশোধ করছি। মাঝে মাঝে বাজারও করে দিয়ে আসি।আমিও চাই আমার ছেলেমেয়েদের নিয়ে থাকতে। মামলা তুলে নিলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর জোবাইরা নার্গিস খান বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে আমি কয়েকবার সালিশি বৈঠক করেছে। বৈঠকে জাহাঙ্গির স্বীকার করে, তার শ্বশুরের টাকা নিয়ে জমিও সিএনজি কিনেছে। বাবার সেই টাকা ফেরত দিবে বললেও এখনো দেয়নি। আর ভরনপোষনের কথা বললে তাও দেবে বলে বৈঠকে বলে যায়। কিন্তু পরে তার স্ত্রীকে হুমকি দেয় ও নির্যাতন করে। তাছাড়াও সে যাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে শুনেছি তার সাথে নাকি আগে প্রেম ছিল। তাহলে কেন সে একটি মেয়ের জীবন ধ্বংস করলো? তাই আমি তার প্রথম স্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছি মামলা করতে।
বিস্তারিত ভিডিওতে…

