নিউজটি শেয়ার করুন

থানার সামনে ট্রাফিক জ্যাম, কিছু করার নেই পুলিশের!

থানার সামনে ট্রাফিক জ্যাম

জিয়াউল হক ইমন: নগরীর চান্দগাঁও থানার সামনে প্রায় লেগে থাকে বান্দরবান ও কক্সবাজার গামী বাসের ট্রাফিক জ্যাম। আশে পাশে কোথাও কোন জ্যাম না থাকলেও গাড়ির ড্রাইভারদের এক ঘেয়েমি ও যত্রতত্র যাত্রী উঠা-নামা এবং অঘোষিত বাস স্ট্যান্ড বানানোতে এই বেহাল অবস্থা বলে মনে করছেন এলাকাবাসী ও চলাচলকারীরা।

থানার সামনে গাড়ির জটলা লেগে থাকার কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় এই পথে চলাচলকারীদের। এমন দুর্ভোগে কিছু করার নেই বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার(২ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর চান্দগাঁও থানার সামনে প্রতিদিনের মতো এমন দৃশ্য দেখা যায়।

ভুক্তভোগী হাসান মুরাদ (জনি) সিপ্লাসকে বলেন, শুধু আজকে নয় প্রতিদিন এই পথে চলাচল করতে আমাদের দুর্ভেোগ পোহাতে হয়। থানার সামনে এমন ট্রাফিক জ্যামের মানে হয় না। পুলিশ কাউন্টার মালিকদের সতর্ক করলে এমন দুর্ভোগ আমাদের পোহাতে হতোনা।

আরেক ভুক্তভোগী মারুফ বলেন, থানার সামনে এমন অব্যবস্থাপনা আর কোথাও নেই। মনে হচ্ছে এই থানার মোড়ের কোন মা-বাপ নেই। চলাচলকারীদের ভীষণ দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গাড়ির ড্রাইভারগুলো এক ঘেয়েমি ও যত্রতত্র যাত্রী উঠা-নামা এবং অঘোষিত বাস স্ট্যান্ড বানানোতে আজ এই অবস্থা। প্রশাসন কঠোরভাবে হস্তক্ষেপ করলে এমন হতো না।

থানার সামনে ট্রাফিক জ্যাম

সরেজমিনে দেখা যায়, থানার সামনেও আশে-পাশে পূর্বানী, মারছা, হানিফ, হানিফ স্পেশাল, হানিফ সুপার,শ্যামলী মা, ইউনিক, স্বাধীন ট্রাভেলস, সান লাইন ও এস আলমের বাস কাউন্টার। মূলত বাসকাউন্টার গুলোর যাত্রী উঠা-নামার জন্য আলাদা কোন ব্যবস্থা না থাকাতে এসব বাস একসাথে জটলা লাগানোর কারণে সৃষ্টি হয় ট্রাফিক জ্যাম।

জানতে চাইলে, চান্দগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. মঈনুর রহমান সিপ্লাসকে জানান, থানার সামনে বাস কাউন্টার থাকার কারনে মাঝে মাঝে আমাকেও পড়তে হয় ট্রাফিক জ্যামে। আমরা বারবার সতর্ক করার পরও কাউন্টার ও ড্রাইভাররা এই জ্যাম লাগিয়ে রাখেন। ইতিমধ্যে মেয়র মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি, তিনি জানিয়েছেন থানার সামনে ফুটপাত করে দিবে। ফুটপাত করে দিলে আশাকরি তখন এমন অসুবিধা হবে না। তারপরও আমরা এই সব বাসের সংশ্লিষ্টদের আবারো সর্তক করবো।

থানার সামনে ট্রাফিক জ্যাম

তা না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান ওসি।

সিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) রাশেদুল ইসলাম সিপ্লাসকে জানান, চাইলে আমরা কাউন্টার বের করে দিতে পারবোনা, অনেক বছর থেকে চলছে।

সংশ্লিষ্ট যারা আছে তাদের সাথে কথা বলে কিছু করা যায় কিনা দেখছেন বলেও জানান এই ট্রাফিক বিভাগের এডিসি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here