Site icon CPLUSBD.COM

দিল্লিতে পুড়িয়ে দেয়া মসজিদে যেভাবে হলো জুমার নামাজ

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে দিল্লি পরিস্থিতি। নতুন করে কোনো সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। দিল্লির সহিংসতায় এ পর্যন্ত আটক হয়েছে ৬ শতাধিক।

এদিকে, ৪ দিনের সহিংসতায় দিল্লি পুলিশের কাছে সহায়তা চেয়ে ৩ হাজার বারের বেশি ফোনকলের পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ার অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। দিল্লি দাঙ্গায় এখনও চিকিৎসাধীন আছে শতাধিক, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪২ জনে দাঁড়িয়েছে।

নয়াদিল্লির কোথাও নতুন করে সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও এখনও সাধারণ মানুষের চোখে মুখে উদ্বেগ রয়েছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। কিছু কিছু দোকান পাট খুলেছে, লোকজন তাদের নিত্যদিনের কার্যক্রমে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তারা বলছেন, কয়েকদিন পর আজ দোকান খুললাম। ঘরে বসে থাকলে তো আর খাবার জুটবে না।

নয়া দিল্লিতে পুড়িয়ে দেয়া মসজিদের ছাদে পুলিশি পাহারায় শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেন স্থানীয় মুসলিমরা। গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সফরের সময় শুরু হয় হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা, হতাহত হয় অনেকে। এরপর থেকেই আতঙ্কে আছেন মুসলমান বাসিন্দারা।

তারা বলছেন, তারা যদি আমাদের মসজিদ পুড়িয়ে দেয় আমরা তা আবার নির্মাণ করবো এবং নামাজ পড়বো। ধর্মীয় স্বাধীনতা আমাদের অধিকার।

স্থানীয় হাসপাতালগুলোয় এখনও বহু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। প্রয়োজনের তুলনায় শয্যা সংখ্যা কম থাকায় চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসা দিতে।

এক নারী বলেন, আমি গর্ভবতী থাকা সত্ত্বেও ওরা আমাকে ব্যাপক মারধর করেছে, আমাদের বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে।

যুদ্ধের মধ্যেও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল স্বাভাবিক রাখা হয়। দিল্লির সহিংসতায় তা হয়নি, ওরা অ্যাম্বুলন্স পর্যন্ত চলতে দেয়নি। মানবতা কোথায় গেল?

তবে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সহিংসতার সময় তাদের কাছে ৩ হাজারেরও বেশি ফোন কল এলেও, তারা নিষ্ক্রিয় ছিলো।