এ.এম হোবাইব সজীব,মহেশখালী: প্রবল বৃষ্টির কারণে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলাতে বন্যার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।
গত শুক্রবার বিকালে অঝোর বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে রবিবার পর্যন্ত তিনদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে ডুবে গিয়ে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। উপজেলার প্রায় ১০ গ্রাম এখন পানির নিচে। এরই মধ্যে অনেক বসতবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা পানি ঢুকে ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম জনতাবাজার -গোরকঘাটা সড়কে অসংখ্যা গর্তে সৃষ্টি হওয়ায় ভেঙে পড়তে পারে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
এতে অনেক মানুষ ফের দুর্ভোগের মুখে পড়েছে। তাদের মধ্যে বাসস্থান, খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ফের ভয়াবহ বন্যা সৃষ্টি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানাগেছে,থেমে থেমে তিন দিন টানা বৃষ্টিপাতে উপজেলার অন্যান ইউনিয়নের চেয়ে মাতারবাড়ী -ধলঘাট নিচু এলাকা বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়ে সর্বাধিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
এদিকে, পাহাড়ি ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে কাঁচা বাড়িঘর, ফসলি জমি ও মিষ্টি পানের বরজ এমনটি জানালে শাপলাপুর ষাইটমারার বাসিন্দা পান ব্যবসায়ী মোহাম্মদ নুর নবী।
উপজেলার পৌরসভাসহ ৮ ইউনিয়নে মাতারবাড়ী-ধলঘাটা ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় আংশিক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। রাস্তা ঘাট ভেঙে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
মাতারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলে আমার এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ঘরবন্দি হয়ে পড়ে লোকজন। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এ বিষয়ে অনেকবার জোরালে আবেদন করা হলে মুখে আশ্বস্ত করলেও কাজের কাজ কিছু করেনা।
তিনি আরোও বলেন, বৃষ্টির পানি নিচে নামতে না পারায় আমার এলাকার মেরামতকৃত অসংখ্যা গ্রামীণ সড়কে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।








