বাংলাদেশ থেকে ভারতে গ্যাস রফতানির ধারণা ভুল বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
তিনি বলেন, দেশের উত্তোলিত প্রাকৃতিক সম্পদ গ্যাস রফতানি করা হবে না। বরং বিদেশ থেকে আনা এলএনজি গ্যাস প্রক্রিয়াজাত করে ভারতে রফতানি করা হবে। এতে লাভ বাংলাদেশেরই হবে।
মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন আউটার স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রন্ত্রী একথা বলেন।
ড. আব্দুল মোমেন বলেন, মানবিক দিক বিবেচনা করেই ফেনী নদীর পানযোগ্য কিছু পানি ভারতকে দেওয়া হবে। অথচ ভারতের সঙ্গে পানি বিনিময় চুক্তি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এটা ঠিক নয়।
তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সু-সম্পর্ক রেখেই ভারতের সঙ্গে কিছু আন্তঃচুক্তি করা হয়েছে।
সম্প্রতি ভারত সফরে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে দু’দেশের মধ্যে সাতটি সমঝোতা চুক্তি স্মারকে সই হয়। এর তিনটি যৌথ প্রকল্প উদ্বোধন করেন দু’দেশের প্রধানমন্ত্রী।
চুক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ফেনী নদীর এক দশমিক ৮২ কিউসেক পানি নিতে পারবে ভারত; ওই পানি তারা ত্রিপুরার সাবরুম শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ব্যবহার করবে।
এছাড়া উপকূলে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থার (কোয়েস্টাল সারভাইল্যান্স সিস্টেম-সিএসএস) বিষয়ে আরেকটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে দুই দেশের মধ্যে।
আর চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর দিয়ে ভারতীয় পণ্য পরিবহনের বিষয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) সই হয়েছে। বাংলাদেশকে দেওয়া ভারতের ঋণের প্রকল্প বাস্তবায়নে চুক্তি হয়েছে।
এই সহযোগিতার বিনিময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সঙ্গে ইউনিভার্সিটি অব হায়দ্রাবাদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়। তাছাড়া সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিনিময় নবায়ন এবং যুব উন্নয়নে সহযোগিতা নিয়েও দু’টি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
আউটার স্টেডিয়াম পরিদর্শনের পর সিলেটে নিজ কার্যালয়ের উদ্বোধন, সিলেটে দেশের প্রথম ট্যুরিস্ট বাস সার্ভিসের উদ্বোধন এবং সিলেট চেম্বার অব কমার্সের নব নির্বাচিত পর্ষদ আয়োজিত মত বিনিময় সভায় যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।








