চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় শীতের কাপড় কিনতে ফুটপাতে ভীড় জমাচ্ছেন নিন্ম আয়ের মানুষ। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটপাতের দোকানগুলোয় নিম্ন আয়ের মানুষের ভিড় লেগেই থাকে। দেখা মেলে মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্তদেরও। বিভিন্ন শপিং মল ও বিপণী বিতানগুলোর চেয়ে দামে কম হওয়ায় তাদের পছন্দ এ দোকানগুলো। হেমন্তের শেষে ক্রমান্বয়ে জেঁকে বসছে শীত। শীত মৌসুমে সবচাইতে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়েছেন খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষ। গরম পোশাকের অভাবে কষ্টের মধ্যে পড়তে হয় তাদের। শীত নিবারণে সাধারণ মানুষ ছুটছেন গরম পোশাকের দোকানে। সাধ ও সাধ্যের মধ্যে কিনছেন শীতের পোশাক। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তবান মানুষ দামী পোশাক কিনলেও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষজন শীতের পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ফুটপাতে। শপিং মলের চেয়ে কম দামে শীতের পোশাক বিক্রি হচ্ছে ফুটপাতে।
সরেজমিন পরিদর্শনে ষ্টেশন রোডের সেভার্স বেকারীর সামনের ফুটপাতে শীতের কাপড় বিক্রেতা মোঃ পারভেজের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, কোন দিন এক হাজার টাকা, কোন দিন দেড় হাজার টাকার মত শীতের কাপড় বিক্রি হয়। শীত যত বাড়বে বিক্রিও তত বাড়বে বলে জানান তিনি। রেলওয়ে মাঠ সংলগ্ন মতলব এন্ড সন্সের সামনের ফুটপাতে শীতের কাপড় বিক্রেতা নাছির উদ্দিন জানান, তার ক্রেতাদের মধ্যে বেশির ভাগই নিন্ম আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। পঞ্চাশ টাকা থেকে দুইশ টাকা পর্যন্ত দরের শীতের পোশাক বিক্রি করেন বলে জানান তিনি।
সন্তানের জন্য কাপড় কিনতে আসা এক নারী ক্রেতা জানান, আমরা গরিব মানুষ। দাম কম হওয়ায় ফুটপাত থেকে পোশাক কিনি।পোশাকগুলোর মান খুব একটা খারাপও না। নিজের জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা আরেক ক্রেতা জানান, শীত এলে শীতের পোশাক কেনাকাটার ধুম পড়ে। বিশেষ করে শিশুদের দিকটা আলাদা। তাদের জন্য দেখেশুনে ভালো শীতের পোশাক কিনতে হয়, ফুটপাতের দোকানগুলোয় শীতের অনেক ভালো পোশাক পাওয়া যায়। দামের দিক দিয়েও মোটামুটি সস্তা।

