নিউজটি শেয়ার করুন

দোহাজারীতে বিষাক্ত উপাদান দিয়ে আইসক্রিম তৈরীর অভিযোগে ২ কারখানা সিলগালা

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভায় খাবারের রংয়ের পরিবর্তে কাপড়ের রং, ঘনচিনি, কৃত্রিম সুগন্ধি, স্যাকারিনসহ বিষাক্ত উপাদান ও নোংরা পানি দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরীর অভিযোগে দুইটি আইসক্রিম ফ্যক্টরী সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে দোহাজারী পৌরসভা সদরের কাকলী ও আনারকলি আইসক্রিম কারখানায় চন্দনাইশ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমার নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এসময় বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া নোংরা পরিবেশে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান দিয়ে তৈরীকৃত আইসক্রীম ও উপাদান নষ্ট করে দিয়ে কারখানা দুইটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চন্দনাইশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমা বলেন, “আমাদের কাছে সংবাদ ছিলো এই আইসক্রিম কারখানাগুলোতে শিল্প-কারখানা ও কাপড়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরণের রং, ঘনচিনি, কৃত্রিম সুগন্ধি, স্যাকারিন সহ মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান ও নোংরা পানি দিয়ে আইসক্রিম তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করা হচ্ছে। আমরা অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পেয়েছি। বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া তৈরীকৃত আইসক্রিমের প্যাকেটে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ নেই। কম দামি এসব আইসক্রিমের গ্রাহক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও নিম্ন আয়ের লোকজন। যেসব উপাদান এসব আইসক্রিমে ব্যবহার করা হয় তা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। অভিযানের সংবাদ পেয়ে কারখানার মালিক শ্রমিক পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার কিংবা জরিমানা করা না গেলেও কারখানা দুইটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে।

এব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন চন্দনাইশ থানার সহকারী পরিদর্শক (এসআই) আতিক সহ একদল পুলিশ।