রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দৌছড়ি উত্তরকুল কালাম বকসু মার্কেটে পরিকল্পিত আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া অভিযোগ করেছেন, মার্কেটের সত্ত্বাধিকারী কালামবকসু। গত তারিখ রামু থানায় কালাম বকসু বাদী হয়ে, অজ্ঞাত ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে বাজার পুড়ার অভিযোগ এনে এজেহার দায়ের করেন। এজেহার সুত্রে জানিয়েছেন, পূর্বোশত্রুতার জেরধরে, দূর্বৃত্তরা গত ২০ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা ৫০ মিনিটের সময় হঠাৎ কে বা কারা বাজারে আগুন দিয়ে তারা পালিয়ে যায়।
এসময় দ্রুত আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা আর আগুন নিয়ন্ত্রন আনতে পারেনি। এতে আগুনে পুড়ে ৫ টি দোকানঘরসহ প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান, ভোক্তভোগীরা। কালাম বকসু জানান, তার মার্কেটটি পরিকল্পিতভাবে পুড়িয়ে দিয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিচার দাবী করেন।
দৌছড়ি দক্ষিনকুল শামশুল আলমের ছেলে, মমতাজ মিয়া জানান, বাদশাহ আলমের ছেলে, নজরুল ইসলাম (২৭) নুরুজ্জামার ছেলে, আবুল মনসুর (৩০) সহ আরো অজ্ঞাত২/৩ মিলে, ২১ ফেব্রুয়ারীর রাতে মার্কেটটি পুড়ে তাদের শত্রু ওই মার্কেটে থাকা বদিউল আলমের ছেলে জিয়াবুলকে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনা করে। যা পরে যতাযতে নিয়মে করেছে, বলে দাবী করেন। স্থানীয় এমইউপি ও সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত। উল্লেখিত ব্যক্তিরা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
কচ্ছপিয়া শ্রমিকলীগের সভাপতি আবু তালেব সিকদার জানান, এটি পরিকল্পিত ঘটনা। পূর্বশত্রুতার জের ধরে এটি ঘঠানো হয়েছে। তদন্ত করে তাদেরকে বিরুদ্ধে কঠিন বিচারের মুখোমুখি করার দাবী জানিয়েছেন। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত মনসুরের সাথে ০১৮৮৫৩৫৯৭৭২ নং মোবাইলে কথা বলা হলে, তিনি ঘটনা অস্বীকার করে জানান, প্রকৃত দোষীদের আইনগত বিচার হউক। পরে অভিযোক্ত নজরুলের সাথে ০১৮২৩৮৭৮২৫৫ নাম্বারে ফোন করে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
কচ্ছপিয়া যুবলীগ সভাপতি নজরুল মেম্বার জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত। তদন্ত করে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করা হউক। এই ঘটনায় গর্জনিয়া পুলিশের আইসি পরিদর্শক মোঃ আনিছুর রহমানের নির্দেশে এসআই হুমায়ন কবির সহ পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করে আলামত সংগ্রহ করেন। ঘটনার বিষয়ে রামু থানার ওসি তদন্ত রুমেল বড়ুয়া জানান, ‘তিনি এই বিষয়ে আবগত রয়েছে। তদন্ত চলছে, এতে যদি কোন পরিকল্পিত ঘটনার প্রমান হয় তাহলে আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।








