নিউজটি শেয়ার করুন

দ্বিতীয় পর্যায়ে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর পাকা ঘর উপহার পাচ্ছে ৬৪৯ পরিবার

সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম জেলায় ২য় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর জমিসহ ঘর উপহার পাচ্ছেন ভূমিহীন ও গৃহহীন ৬৪৯টি পরিবার। এসব পরিবারকে জমিসহ ঘরের মালিকানা হস্তান্তর করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে বারটার দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলায় ১ম পর্যায়ে ১ হাজার ৪৪৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঘর প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগামী ২০ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১ম পর্যায়ের এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এ কার্যক্রমে চট্টগ্রাম জেলার ১৩টি উপজেলার ৬৪৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ২ নম্বর বেতাগী ইউনিয়নের বহলপুর গ্রামে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সংযুক্ত হবেন। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বহলপুর গ্রামে একসাথে ৩০টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ অনন্য উদ্যোগে এখন শামিল হবার জন্য বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ এগিয়ে এসেছেন। ইতিমধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে চট্টগ্রাম জেলায় ১২০টি ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প খাতে অর্থ অনুদান দিচ্ছে। অচিরেই বেসরকারি অনুদানে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ৫০টি, পটিয়া উপজেলায় ৩০টি, চন্দনাইশ উপজেলায় ২৭টি, সাতকানিয়া উপজেলায় ১০টি, লোহাগাড়া উপজেলায় ১৫০টি, বাঁশখালী উপজেলায় ১৪টি, কর্ণফুলী উপজেলায় ৫টি, বোয়ালখালী উপজেলায় ২০টি, রাউজান উপজেলায় ২৪৮টি, হাটহাজারী উপজেলায় ১০টি, আনোয়ারা উপজেলায় ৫০টি, মীরসরাই উপজেলায় ২৫টি, সীতাকুণ্ড উপজেলায় ১০টি সহ সর্বমোট ৬৪৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হবে।
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের বহলপুর গ্রামে আগামী ২০ জুন সকাল সাড়ে দশটায় উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাজমুল আহসান বলেন, যে ঘরগুলো দেওয়া হচ্ছে সেগুলোতে ২টি বেডরুম, ১টি রান্না ঘর, বারান্দা, বাথরুম। এছাড়াও ১০টি ঘরের জন্য একটি করে ডিপ টিউবওয়েল। প্রথম পর্যায়ে একটি ঘর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা প্রতিটি ঘরের জন্য খরচ হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনী আক্তার সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।