পনেরো দফা দাবিতে ডাকা ধর্মঘটে চট্টগ্রাম থেকে লাইটার জাহাজ (পণ্যবাহী ছোট জাহাজ) চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ধর্মঘটী লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের একাংশের সাধারণ সম্পাদক ইছা মিয়া বলেন, “নৌযান শ্রমিক লীগ সমর্থিত নৌ শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ ঐক্য পরিষদ ১৫ দফা দাবিতে এ ধর্মঘট আহ্বান করেছে। আন্দোলনে শ্রমিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে লাইটারেজ চালানো ও কাজ বন্ধ রেখেছে।”
ইছা মিয়ার দাবি তাদের সাথে নৌ শ্রমিকদের চারটি সংগঠনও একাত্মতা প্রকাশ করেছে।
‘নৌ শ্রমিক অধিকার সংরক্ষণ ঐক্য পরিষদের’ অধীনে বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ কার্গো ট্রলার বাল্কহেড শ্রমিক ইউনিয়ন, ট্রলার (বাল্কহেড) শ্রমিক ইউনিয়ন ১০০ ভাগ খাদ্যভাতাসহ প্রদানসহ এ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।
তবে লাইটার জাহাজ শ্রমিকদের অন্য একটি অংশ বলছে, তারা ধর্মঘটের ডাক দেননি।
বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের অন্য অংশের সিনিয়র সহ-সভাপতি নবী আলম বলেন, ১১ দফা দাবিতে আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কর্মবিরতি শুরু হবে। সেটাকে বানচাল করার জন্য মালিকদের পক্ষ নিয়ে হঠাৎ করে ধর্মঘটের ডাকা হয়েছে।
রাত থেকে সকাল পর্যন্ত চট্টগ্রামের বিভিন্ন ঘাট থেকে ১৭২টি লাইটারেজ জাহাজ মালামাল নিয়ে চট্টগ্রাম ছেড়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
তবে শ্রমিক নেতা নবী আলমের অভিযোগ, সকালে কর্ণফুলী নদীর বাংলাবাজার চানবালি ঘাট থেকে থেকে সরদঘাট পর্যন্ত ১৬ ঘাটের কয়েকটিতে কিছু লাইটারেজ শ্রমিক লবণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে লাইটারেজ চলাচল ও পণ্য ওঠানামার কাজে বাধা দিচ্ছে।
লাইটার জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেল (ডব্লিউটিসি) এর নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশিদ বলেন, রাতে আউটারে (বহির্নোঙরে) যেসব লাইটার জাহাজ ছিল সেগুলোতে কাজ হয়েছে।
“সকাল থেকে লাইটার জাহাজ শ্রমিকদের একাংশের বাধার কারণে আউটারে কাজ হচ্ছে না। লাইটার মুভমেন্টও বন্ধ। পাশাপাশি কর্ণফুলী নদীর ঘাটগুলোতেও কাজ বন্ধ।”








