বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার কলেজছাত্রীকে দেখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
গত বুধবার গোপালপুর উপজেলার কাগুটি গ্রামের ওই কলেজছাত্রী ও আসামিদের বাড়ি পরিদর্শন করে জানতে পেরেছেন এমন দাবি করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, এই ভিকটিম সত্য বললে ন্যায় বিচার পাবে। আর শক্রতার জন্য অগ্রসর হলে ভালো ফল পাবে না। কারণ ৭৫/৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধ লোককে এই ছোট বাচ্চার ধর্ষণ মামলার আসামি করা হয় সেটা গ্রহণযোগ্য হবে না।
তিনি বলেন, মেয়েটির সঙ্গে ওই ছেলের আগে বিয়ে হয়েছিল। মেয়েটি ও তার মা সেটা অস্বীকার করলেও এলাকার জন্য বলছে তাদের বিয়ে হয়েছিল। ঘটনার দিন ওই ছেলে অন্যত্র বিয়ে হচ্ছে এমন কথা শুনেই মেয়েটি তাদের বাড়ি গিয়ে উঠে। পরে তাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। এই টুকু মামলায় থাকলে একরকম হতো। যারা নির্যাতন করেছে আশপাশের লোকজনের কথা শুনে মনে হল যে তাদেরকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি যারা জড়িত নয় এমন ২/৪ জন বৃদ্ধকেও আসামি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সামাজিক এই অবক্ষয় দূর করার জন্য আমাদের চেষ্টা করা দরকার। অথচ সেটা হচ্ছে না। এর একমাত্র রক্ষাকবজ হচ্ছে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। সেটা যদি আমরা গড়ে তুলতে পারি তবে সফল হবো।
এরপর তিনি টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন দলের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম ও মানবাধিকার কর্মী এডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ প্রমুখ।








