এক কিশোরী ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সালিশ বসিয়ে ধর্ষণকারীর ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানার পর সেই টাকাও ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সালিশকারীদের বিরুদ্ধে।
ঢাকার ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নে এই ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করলেও পালিয়ে গেছেন ধর্ষণের মূল আসামি এবং সালিশকারী ইউপি সদস্যসহ অন্যরা।
ধামরাই থানা ওসি দীপক চন্দ্র রায় বলেছেন, ধর্ষিত কিশোরীর (১৩) বাবার করা মামলায় উজালা বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উজালা বেগমের স্বামী মোকসেদ আলীর (৫০) বিরুদ্ধে ধর্ষণের মূল অভিযোগ। তাতে সহায়তাকারী হিসেবে রয়েছে উজালার নাম।
পুলিশ কর্মকর্তা দীপক বলেন, “বিকৃত মানসিকতা থেকে এমন ঘৃণিত কাজে লিপ্ত হয়েছিল এই দম্পতি।”
এরপর গ্রামের প্রভাবশালীদের ঘটনাটি জানানো হলে গত সোমবার তারা সালিশ বসান। ওই সালিশে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ধর্ষণকারী মোকসেদকে।
ওই টাকাও সালিশকারী ভাগ-বাটোয়ারা করে নিয়ে এই ঘটনায় মুখ না খুলতে শাসিয়ে দিয়েছিল বলে ধর্ষিতের পরিবারের অভিযোগ।
ওসি বলেন, “ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা করার পর উজালা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে।”
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

