নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্ষণ মামলা তুলে না নেয়ায় কিশোরীর মা-বাবাকে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা

সিপ্লাস ডেস্ক: কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের কুরছাপ পূর্বপাড়ায় ধর্ষণ মামলা তুলে না নেওয়ায় এক কিশোরীকে ও তাঁর মা-বাবাকে প্রকাশ্যে লাঠিপেটার নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার নির্যাতনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় শুক্রবার ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবা মো. জামাল হোসেন বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন

অভিযুক্তরা হলেন- কুরছাপ গ্রামের মো. নুরুল ইসলাম ও তার দুই ছেলে মো. কাউছার আহম্মেদ এবং মো. হাসান, দুই পুত্রবধূ আনিকা ও নারগিছ আক্তার।

ভাইরাল হওয়া ৩২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, ধর্ষণচেষ্টার মামলার আসামি মো. হাসানের বড় ভাই কাউছার আহম্মেদসহ অন্য আসামিরা প্রথমে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর মাকে প্রকাশ্যে লাঠিপেঠা করেন। এসময় কাউছারকে স্থানীয় কয়েকজন থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পরে ওই কিশোরীর মা অচেতন অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকে। এর আগে গত ১৭ ও ১৮ আগস্ট বিকেলে ওই কিশোরী ও তার বাবা জামাল হোসেনকে প্রকোশ্যে মারধর করেন কাউছার ও তার পরিরবার।

মামলার বিবরণে জানা গেছে- চলতি বছরের ২৪ মে বিকেল ৩টায় ওই কিশোরীকে একটি খালি ঘরে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান হাসান নামে এক যুবক। হাসান ওই কিশোরীর আপন চাচাতো ভাই। স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরীকে ঘর থেকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় ওই কিশোরী বাবা মো. জামাল হোসেন কুমিল্লা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অভিযুক্ত হাসানকে আসামি করে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবা মো. জামাল হোসেন বলেন, মো. হাসান আমার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি কুমিল্লা আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। মামলার পর থেকে মামলা তুলে নিতে কিছু প্রভাবশালীর সহযোগিতায় তারা আমাকে হুমকি দিতে থাকেন। মামলা তুলে না নেওয়ায় আমার স্ত্রীকে প্রকোশ্যে লাঠিপেটা করে। এর আগে আমার মেয়ে ও আমাকেও এভাবে রাস্তায় প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করে

দেবিদ্বার থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবা মো. জামাল হোসেন দেবিদ্বার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। দোষীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here