Site icon CPLUSBD.COM

নগরজুড়ে তীব্র যানজট, ঈদের কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরা মানুষের ঢল

সিপ্লাস প্রতিবেদক:  নগরীর অক্সিজেন মোড় ও ২নং গেইট, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, জিইসি, লালখান বাজার, টাইগারপার্স, দেওয়ানহাট, চৌমহনী, আগ্রাবাদ, বারেক বিল্ডিং, কাস্টম মোড়, সল্টগোলা ক্রসিং, ইপিজেড ও জুবলী রোড জুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্ট হয়। ঈদের কেনাকাটা ও নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের কারণে এমন যানজট হচ্ছে দাবী ট্রাফিকের।

এছাড়াও অক্সিজেন মোড় থেকে হাটহাজারী, রাউজান, ফটিকছড়ি বাস যাচ্ছে। যাত্রী পেলে বাস যাচ্ছে রাঙামাটি-খাগড়াছড়িতেও।

রাতে নগর থেকে বাস যাচ্ছে কক্সবাজারে। সিটি গেট এলাকা থেকে সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ উপজেলার লোকজন অনায়াসে বাড়ি যেতে পারছেন। কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা পর্যন্ত সিএনজি টেক্সি চলাচল করছে।

এদিকে গত শনিবার যে কোন প্রকারে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার ইচ্ছে নিয়ে ৪০ জন শ্রমিক চট্টগ্রাম থেকে সেন্টমার্টিন পরিবহনে করে যাচ্ছিলেন চাপাইনবাবগন্জ। কিন্তু ৯ মে বিকেলে সীতাকুণ্ডের বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে আটকে দেয় তাদের যাত্রা।আর যাওয়া হল না সেন্টমার্টিন পরিবহনে করে। তবে শেষ পর্যন্ত মধ্যরাতে উপায় বের হয়ে যায়। পুলিশকে ম্যানেজ করে ট্রাক ভাড়া করে শ্রমিককে মালামাল বানিয়ে তেরপাল ঢেকে যাবার ব্যবস্থা করে দেয় পুলিশ-এমন তথ্য সিপ্লাসকে জানালো ভুক্তভোগি শ্রমিকরা।

ফটিকছড়ি থেকে শহরমুখী কিশোর করিম, রাউজান থেকে সাকিব এবং হাটহাজারী থেকে আজাদসহ অনেকেই বলেন, অক্সিজেন থেকে ২নং গেইট আসতে প্রায় আধাঘন্টারও বেশি সময় লাগে। জানতাম শহরে যানজট হয় সন্ধ্যায় কিন্তু এখন দেখি বিকাল তিনটার দিকে খুব যানজট শহরে।

ওয়াসার মোড়ে ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফূল বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় তেমন যানজট নেই। হয়তো কিছুটা যানজট নগরীর অন্য জায়গায় হচ্ছে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি যানজট মুক্ত করতে। এখানে তেমন কোন গাড়িকে দাড়াতে দিচ্ছি না। অনেক চালক রাস্তার মাঝখানে গাড়ি দাড় করিয়ে যাত্রী উঠানামা করে ফলে যানজট সৃষ্টি হয়।