নিউজটি শেয়ার করুন

নগরীতে চাঞ্চল্যকর কুলছুমা হত্যার রহস্য উন্মোচন

সিপ্লাস প্রতিবেদক: নগরীর আকবর শাহ থানাধীন এলাকায় কুলছুম নামে এক কিশোরীকে গলাটিপে হত্যা করে চাচী সুমি আক্তার ।

রবিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার জাহানের আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন চাচি সুমি আক্তার।

জানা যায়,২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা (জ্বর, সর্দি, হাত পা ব্যথা) অসুস্থতায় ভুগছিল কুলসুম আক্তার। স্থানীয় ওষুদের দোকান থেকে ওষুধ নিযে সেবন করার পর মোটামুটি সুস্থ হয়েছিল কুলসুম আক্তার। গত ৩ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কুলসুম আক্তারের মৃত্যুতে আকবর শাহ থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন সুমি আক্তার।

চৌদ্দ বছরের কুলছুম আকতার দেড় বছর বয়সে বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে কাজ করতেন চাচার বাসায়। মা আরেকজনকে বিয়ে করে চলে গেছে অন্যত্র। গত বছরের জুলাইয়ের ৩ তারিখ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করছিল স্থানীয়দের সন্দহে খবর যায় থানায়। পরে লাশ পাঠানে হয় ময়নাতদন্তের জন্য। নয় মাস পরে বেরিয়ে আসে শ্বাসরোধে হত্যার রহস্য। কুলছুমের চাচী সুমি আক্তারকে এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়।

আকবরশাহ থানার ওসি মো. জহির হোসেন জানায়, ঘটনার পর থানায় এসে সুমি আক্তার জানায় কুলছুম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। পরে এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। তবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিতে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়না তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়, কুলছুমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে কুলছুমের চাচীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি খুনের বিষয়টি স্বীকার করেন। মূলত, মেয়ের সাথে ঝগড়া করায় কুলছুমকে গলাটিপে হত্যা করে বলে জানান চাচী সুমি আক্তার ।