নিউজটি শেয়ার করুন

নগরীর রাস্তা ও ফ্লাইওভারের তল ভাড়া দিলো চসিক: ট্রাফিক পুলিশের আপত্তি

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা, সড়কের করুন চিত্র, ফুটপাথ ও চসিক মার্কেটে যত্রতত্র দোকান নির্মান সহ নানান কারণে সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে নাম এসেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের৷ এবার সড়কের মাঝখানে টাকার বিনিময়ে পার্কিং স্থান নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

জানা গেছে গতকাল (১০ ফেব্রুয়ারি, সোমবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেও এক্ষেত্রে নগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের মতামতকে অনেকটা উপেক্ষা করা হয়েছে বলে সিএমপি সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। কারণ নগরীর আয়তনের তুলনায় যেখানে চট্টগ্রাম শহরের রাস্তার আকার অনেক কম সেখানে রাস্তার মাঝে টাকার বিনিময়ে পার্কিং এর সুযোগ নিয়ে যানজট স্থায়ী রুপ নেয়ার আশংকা করছে ট্রাফিক বিভাগ৷

ইতিমধ্যে লালখানবাজার থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের নিচে, নিউ মার্কেটের মতন জনবহুল সড়কের কয়েকটি স্থানে এ পার্কিং নির্ধারণ করেছে চসিক। এসব সড়কে পার্কিং করা হলে যানজট বাড়বে বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এর আগেও একবার ফ্লাইওভারের নিচে সড়কে পার্কিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। তখন নগর পরিকল্পনাবিদ ও ট্রাফিক পুলিশের আপত্তির মুখে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে প্রতিষ্ঠানটি। সেই সময় দোকান নির্মানের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করা হলে পিছু হটে সিডিএ৷

গতকাল ২০ টাকার বিনিময়ে নিজ গাড়ি পার্কিং এ রেখে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতন পে পার্কিং চালু করেন। ট্রেড ম্যাক্স নামের প্রতিষ্ঠানকে এই ফ্লাইওভার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিচে পরিকল্পিত বাগান করার নামে আগামী ৫ বছরের জন্যে একপ্রকার ইজারা দিয়ে দিয়েছে চসিক৷ প্রতিষ্ঠানটি এখানে বিজ্ঞাপন প্রচার ও ফ্লাইওভারের নিচে পে পার্কিং থেকে টাকা আদায় করবে বলে জানা গেছে।

পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মোস্তাক আহমেদ খান সড়কে পার্কিংয়ের বিষয়ে কেউ ট্রাফিক বিভাগকে জানায়নি বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন। চট্টগ্রামে গাড়ির সংখ্যা বেশি তার মধ্যে সড়কে গাড়ি পার্ক করা হলে যানজট আরও বাড়বে বলে মনে করেন তিনি৷