বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তিনটি ইউপিতে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে এখন গননা চলছে। তবে ঘুমধুম ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতায় বিজিবির গুলিতে ১ জন মারা গেছে। এতে আহত হয়েছেন আরো ২ জন।
নিহত ব্যক্তির নাম মংচিং চাকমা (৪০) বলে, নিশ্চিত করেন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু জাফর সালেহ।
নির্বাচনী ইউনিয়নগুলো হচ্ছে−নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, সোনাইছড়ি ও ঘুমধুম।
সোমবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে শুরু করেন। ভোটগ্রহণ চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত ঘুমধুম ছাড়া কোনও কেন্দ্রে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি। পুরুষের চেয়ে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি।
এদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিটি কেন্দ্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,আনসার, পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।
তিনটি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, পুরুষ মেম্বার পদে ৯৪ জন ও মহিলা মেম্বার পদে ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার রয়েছেন ২৩ হাজার ৯২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ১১৩ জন ও নারী ভোটার ১১ হাজার ৮০৯ জন।
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার সেন বলেন, ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে নাইক্ষ্যংছড়ির তিন ইউনিয়নে ১০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, তিন জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও ৪ প্লাটুন বিজিবি, পুলিশের ৯টি দল ও র্যাবের ৬টি দল টহলে রয়েছেন।
এদিকে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ইউপি মেম্বারের সমর্থকদের সংঘর্ষের নিয়ে বিজিবির গুলিতে ওই উপজাতি নিহত হয়েছেন।
বিকাল ৪টার দিকে ঘুমধুমে ফাত্রাঝিরি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনার ঘটে।
উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু জাফর সালেহ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে তাৎক্ষনিক তিনি বিস্তারিত জানাতে পারেননি।
তবে স্থানীয় লোকজন জানান,, প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ইউপি সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর আক্রমণ করেন। এতে বাধ্য হয়ে আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুঁড়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এতে ওই উপজাতি গুলিতে নিহত হয়।








