বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে প্রতিবারের ন্যায় এবারও ৬৬৯ জন পরীক্ষার্থী নিয়ে পিইসি ও এবতেদায়ী পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
আর সেই সাথে এলাকার ঝড়ে পড়া আনন্দ স্কুলের শিক্ষার্থীরাও অংশ গ্রহণ করেছেন।
গেল ১৭ নভেম্বর ২০১৯ শুরু হওয়া পরীক্ষার প্রথম দিনে বাইশারী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষকের অফিসে দেখা যায়, ৭ জন পরীক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে রাখা হয়েছে।
এর কারণ জানতে চাইলে, বাইশারী স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক উমর ফারুক জানান , তারা আনন্দ স্কুলের ভুঁয়া শিক্ষার্থী, তাই তাদেরকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর বহিষ্কৃত ছাত্রের মধ্যেই একজন বাইশারী স্কুল এন্ড কলেজের (জেএসসি) পরীক্ষাও দিয়ে ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
সুত্র বলছে, পরীক্ষার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আনন্দ স্কুলের শিক্ষকেরা, মোটা অংকের বিনিময়ে, বাইশারী স্কুল এন্ড কলেজ, বাইশারী দাখিল মাদ্রাসা ও বাইশারী কেজি স্কুলের শিক্ষার্থীদের দিয়ে পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে।
এদের মধ্যেই অনেকেই বিবাহিত মহিলা আর বাকীরা ষষ্ঠ থেকে ৯বম শ্রেণীর ভাঁড়াটিয়া পরীক্ষার্থী।
অপরদিকে আনন্দ স্কুলের শিক্ষকদের এমন কর্মকান্ডে এলাকার গুনীজন, সুশীল সমাজ, ও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যেই নিন্দার ঝড় উঠেছে।
এই ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিসার ত্রিরতন চাকমা এর নিকট জানতে চাইলে, তিনি আনন্দ স্কুলের বিষয়টি সম্পর্কে ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন কচি জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন।
তাছাড়া আগামী ২৪ নভেম্বর( রবিবার) গণিত পরীক্ষার দিন ঘটনাস্থে অভিযান চালিয়ে যারা ধরা পড়বে তাদের ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

