নিউজটি শেয়ার করুন

নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়ায় বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলা!

নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়ায় বিদ্যুতের লুকোচুরি খেলা!

হাবিবুর রহমান সোহেল,নাইক্ষ্যংছড়ি: পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ি-গর্জনিয়ায় বিদ্যুতের লোডশেডিং আর থামছে না। এ যেন এক লুকোচুরি খেলা। গত এক মাসের মাথায় ৩৩ কেবির লাইন চালু হলে এ সমস্যার সমাধান হওয়ায় আশ্বাস দিয়েছেন রামু বিদ্যুৎ অফিস। তারপরও যেন লোডশেডিং কমছে না।

অফিসের দায়িত্বরত একাধিক কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের মূলকাজ সবাইকে বিদ্যৃতের আওতায় আনা। যা রামুতে চলমান। তবে ধৈর্য ধরতে হবে আগের গ্রাহকদের।

স্থানীয় সূত্র গুলো জানান, গত ১ বছর ধরে নাইক্ষ্যংছড়ি,কচ্ছপিয়া ও গর্জনিয়াসহ আশপাশের এলায়ায় বিদ্যুতের লোডশেডিং হচ্ছে ভয়াবহ। বিজিবি ব্যাটালিয়ন জোন ,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন,ব্যবসা সেক্টর,শিক্ষা প্রতিষ্টান সহ অতি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর গুলোর অবস্থা কাহিল। শিক্ষার্থীরা অনেক কষ্টে। গৃহিণীরা নাভিশ্বাস ফেলছে এ বিদ্যুতের কারণে ।

এ বিষয়ে রামু বিদ্যুৎ অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ হোসেন বলেন, বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি টু গর্জনিয়ার ব্লক একটা। এ অংশের বিদ্যুৎ লাইনের যে কোনো স্পটের বিদ্যুতের পিলারে বা বৈদ্যুতিক তারে গাছ,বাঁশ পড়লে পুরো এলাকার বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিতে হয়। গ্রাহকরা তা বোঝেন না। তারা বোঝেন শুধু সুবিধা। অসুবিধা শুধু বিদ্যূৎ অফিসেরই থাকে। বিদ্যুৎ অফিস সরকারের নির্দেশের বাইরে যেতে পারেন না।

গর্জনিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতা, আবুল মনসুর জানান,বিদ্যূৎ নিয়ে মানুষের কষ্টের শেষ নেই। রাত নেই,দিন নেই লোডশেডিং হচ্ছে না। গর্জনিয়া কচ্ছপিয়ার মানুষ এ সব থেকে মুক্তি চায়।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা ফেরদৌস বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ির লোডশেডিং এর যে অবস্থা তাতে মানুষ খুবই কষ্ট পাচ্ছে। একই আক্ষেপ নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অধ্যাপক মো: শফিউল্লাহ ও থানার অফিসার ইনচার্জ মো:আলমগীর হোসেনেরও।

রামু বিদ্যূৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী এম. এম মঈনুল ইসলাম বলেন, তিন কারণে এ সমস্যা হচ্ছে। ১.তেত্রিশ কেবি লাইনের বিদ্যুতের কাজ চলমান, ২.চাকঢালা বিদ্যুৎ লাইনে সংস্কার কাজ চলছে ৩.সর্বশেষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় গর্জনিয়া মাঝিরকাটা গ্রামে বিদ্যূতায়নের কাজ চরমান থাকায় এ অবস্থার সৃস্টি হয়েছে।

তবে এ অবস্থার উন্নতি হবে শীঘ্রই। আগামী এক মাসের মধ্যে সবকাজ শেষ হবে।

এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ির বিছামারা এলাকায় সাব স্টেশনটি ১ মাসেন মধ্যেই এক সাথে চালু হচ্ছে।

তিনি আরো জানান,এ স্টেশন চালু করে,রামুর মহিষকূম -কাউয়ারখোপ,নাইক্ষ্যংছড়ি সদর,কচ্ছপিয়া-গর্জনিয়া, ও চাকঢালা অংশকে ৪ ব্লকে ভাগ করে নিবিড়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সেবার ব্যবস্থা করছে সরকার।

এ ব্যবস্থা চালু হলে যে ব্লকে সমস্যা হবে সে ব্লকের বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে শুধু। বাকী ৩ এলাকায় বিদ্যুৎ চালু ধাকবে। বতর্মানে মানুষ যেভাবে কষ্ট পাচ্ছে তাতে আর পাবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here