Site icon CPLUSBD.COM

নালা-নর্দমা সংস্কার কাজে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে- শাহাদাত

নালা-নর্দমা সংস্কার কাজে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে- শাহাদাত

সিপ্লাস প্রতিবেদক:  চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সাদিয়াকে আমরা হারিয়েছি। এই মৃত্যু একটি হত্যাকান্ডের মতো হয়েছে। বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে নালা-নর্দমা সংস্কার কাজে জড়িতদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) খোলা নালায় পড়ে কলেজ ছাত্রী সেহরিন মাহমুদ সাদিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে বাসায় গেলে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

যারা এখানে জোর জবরদস্তি করে চট্টগ্রামের শাসন করছে তথাকথিত মেয়র, মন্ত্রী-এমপি হয়েও তারা চট্টগ্রামকে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত নগরীতে পরিণত করেছে। কোন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়নি। উন্নয়নের নামে দুর্নীতি আর দুর্নীতি। আওয়ামী লীগের কথিত উন্নয়নে মানুষ আজ অতিষ্ঠ।

ভোট ডাকাতির সরকারের কাছে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই।আমরা দেখেছি গত দুই মাস আগেও মুরাদপুরে উম্মক্ত ড্রেনে পড়ে সালেহ আহমদ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে অথচ এখনো ওই ব্যক্তি মৃতদেহটিও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি! এর দায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সি.ডি.এ এড়াতে পারে না।

তারপরেও সিটি কর্পোরেশন কেন নালা- নর্দমা সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি? নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সিটি কর্পোরেশন দোষ দেয় সিডিএকে,সিডিএ দোষ দেয় সিটি করপোরেশনকে।

ডা.শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, জনগণের সরকার না থাকার কারণে আজ জবাবদিহিতা নেই। তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা নেই। এটা সম্পূর্ণ সরকারের দায়। কারণ সরকার সিটি কর্পোরেশন, সিডিএসহ এসব প্রতিষ্ঠানকে লালন পালন করছে। এর দায় সবাইকে নিতে হবে। অনতিবিলম্বে যারা তথাকথিত রাস্তা-ঘাটের দুর্নীতি সমৃদ্ধ উন্নয়নের নামে রাস্তা-ঘাটেকে মৃত্যুকূপে পরিণত করেছে এবং যারা এই কাজে জড়িত তদন্তপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ডা.শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, সাদিয়া, সালেহ আহমেদের মৃত্যুর দায় কার? কাদের অবহেলার কারণে আজ অকালে ঝরে পড়েছে এসব প্রাণ? এর জবাব সরকারকে দিতে হবে। একজন আরেকজনকে দোষ দিয়ে কোনো লাভ হবে না। নিজেদের দায় স্বীকার করে লজ্জা থাকলে মেয়র ও সিডিএ চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দেশে আজ গনতন্ত্র নেই, ভোটাধিকার নেই। আওয়ামী লীগ মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। নিজেদের অবৈধ ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখতে দেশের মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। কথা বললেই মামলা, গ্রেফতার নির্যাতন চালিয়ে আসছে। এ অনির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশে গনতন্ত্র ভোটাধিকার ও কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে আনতে পারলেই এসব অপকর্ম, অপমৃত্যু বন্ধ করা সম্ভব হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,নগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাশেম, গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, নগর বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক দিদারুল আলম, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মাহামুদ আলম পান্না, সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক আজাদা বাঙ্গালী, সাবেক সহ স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক আরিফ মেহেদী, বিএনপি নেতা কামাল পাশা নিজামী,ওমর মিয়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোশারফ জামান, জানে আলম কোম্পানি, মোঃ ইলিয়াছ, খোরশেদ আলম, জেসমিনা খানম, নজরুল ইসলাম মানিক, শাহ আলম কোম্পানি, ইব্রাহিম সওদাগর, আনোয়ার হোসেন, মোঃ শাহজাহান সওদাগর, মোহাম্মদ ইউনুস, পারভেজ চৌধুরী, শাহাবুদ্দিন, মোহাম্মদ জামাল, বশির উদ্দিন রুবেল, রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সহ সভাপতি মোঃ হারুন, আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলমগীর, আফসারুল ইসলাম, সেলিম রেজা, মুরাদুল আলম,মো. মুন্না, মো. ফরিদ, রিপন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।