Site icon CPLUSBD.COM

নিউইয়র্কে ২৪ ঘণ্টায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: করোনার ভয়াল থাবা তথা মহামারীতে আক্রান্ত নিউইয়র্কে বাংলাদেশীদের মৃত্যুর মিছিল দিনদিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। রোববার নিউইয়র্কে সাত বাংলাদেশীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

তারা হলেন- মির্জা হুদা সোহাগ (৪৪), মুতাব্বির চৌধুরী ইসমত (৫৬), শফিকুর রহমান মজুমদার (৬৫), বিজিত কুমার সাহা (৩৬), জায়েদ আলম (৫৫), কায়কোবাদ (৬২), আজিজুর রহমান (৬৫)।

জানা যায়, মির্জা হুদা সোহাগ গত বৃহস্পতিবার থেকে করোনা আক্রান্ত এলমার্স্ট হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। কুইন্সের জনপ্রিয় মুখ মির্জা হুদা আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার পাশাপাশি AdNtech IT school এর পরিচালনা করতেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে যান। তার দেশের বাড়ি যশোর বলে জানা যায়। তার মৃত্যুতে নিউইয়র্ক প্রবাসীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।

অপরদিকে বাংলাদেশের সিলেটের গোপালগঞ্জ থানার রনকেলী গ্রামের মুতাব্বীর চৌধুরী ইসমত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আজ সকালে ইন্তেকাল করেন। তার স্ত্রী প্রথমে করোনায় আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

এদিকে চাঁদপুর জেলার শফিকুর রহমান মজুমদারও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কুইন্সের একটি হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের কুইন্সের এলমহার্স্ট হাসপাতালে বিজিত কুমার সাহা (৩৬) নামে আরও এক বাংলাদেশি মারা যাওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি কুইন্সের লাগর্ডিয়া বিমানবন্দরে টার্মিনাল ‘বি’ রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন বলে জানা যায়। অনেকদিন ধরে তিনি নিউমোনিয়া রোগে ভুগছিলেন। তাঁর স্ত্রী মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। বিজিত কুমার সাহার আড়াই মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তাঁর দেশের বাড়ি বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায়।

এ পর্যন্ত নিউইয়র্কে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ২২ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এক দিনে করোনাভাইরাসে এত প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকে স্তব্ধ কমিউনিটিতে অনেক প্রবাসীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাংলা সংবাদমাধ্যমের ইলিয়াস খসরু, ফরিদ আলম, স্বপন হাই ছাড়াও চিকিৎসক ওসমানী, সাবেক ছাত্রনেতা শাহাব উদ্দিন, কমিউনিটি নেতা ফরহাদ আহমেদ চৌধুরীসহ অনেকের জন্য স্বজনেরা দোয়া প্রার্থনা করেছেন।