সিপ্লাস ডেস্ক: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টির চতুর্থটিতে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে জয় পায় টাইগাররা।
এর আগে প্রথম দুই ম্যাচ জয়ের পর তৃতীয় ম্যাচে কিউইরা জিতেছিল। এনিয়ে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ ঘরে তুললো বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে সফরে জিতে আসার পর ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করেছিল স্বাগতিকরা।
এদিন ম্যাচে জয়ে নাসুম আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের দারুণ বোলিংয়ের পর, ব্যাটিংয়ে অসাধারণ করে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।
বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুদল। যেখানে প্রথমে ব্যাট করে ১৯.৩ ওভারে ৯৩ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ও ৫ বল বাকি থাকতে ৯৬ করে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মাহমুদউল্লাহ বাহিনী।
কিউই বোলারদের মধ্যে আজাজ দুটি ও ম্যাককোঞ্চি একটি উইকেট লাব করেন।
টস জিতে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। নাসুম আহমেদের বল তুলে মারতে গিয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ক্যাচে পরিণত হন রচিন রবীন্দ্র। দলীয় তৃতীয় ওভারে আরেক ওপেনার ফিন অ্যালেনকেও সাইফের ক্যাচে ফেরান নাসুম। ব্যাক্তিগত ১২ রানে মাঠ ছাড়েন তিনি।
সফরকারীদের ব্যাটিংয়ে একাই লড়ে যান উইল ইয়ং। তবে মোস্তাফিজুর রহমানের কাটারের সামনে বাকিরা আর কেউ দাঁড়াতেই পারেননি। তার শিকারে মাঠ ছাড়েন টম ব্লান্ডেল, কোল ম্যাককোঞ্চি, ব্লাইর থিকনার ও ইয়ং। ম্যাককোঞ্চিকে তো নিজেরই করা বলের ফিরতি শটে দারুণ এক ক্যাচে ফেরান। কিউই ইনিংসে ব্যাক্তিগত সর্বোচ্চ ৪৬ রান করা ইয়ংও তার বলে মাহমুদউল্লাহকে ক্যাচ দেন। মাঝে আজাজ প্যাটেলকে ফিরিয়ে উইকেটে ভাগ বসান সাইফ।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে নাসুম ও মোস্তাফিজ ৪টি করে উইকেট দখল করেন। একটি করে উইকেট পান মেহেদী ও সাইফ।
৪ ওভারে ১০ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেওয়া নাসুম ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন।

