গত বুধবার (১৬ অক্টোবর) রংপুরের ভেন্ডাবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হামলাকারীদের সবাই মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি করেছেন সেখান থেকে প্রত্যাহার হওয়া বহু অনিয়মের সাথে জড়িত তদন্ত কেন্দ্র ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম।
তার এমন বক্তব্যে এলাকাবাসীর মধ্যে গ্রেফতার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তবে পুলিশ সুপার বলছেন, নিরীহ কাউকেই হয়রানি করা হবে না।
রংপুরের পীরগঞ্জের ভেন্ডাবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রে হামলার কারণ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ইনচার্জ আমিনুল ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ। ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার আতঙ্কে ভুগছে ভেন্ডাবাড়ি ও আশপাশের মানুষ। এ অবস্হায় গত বুধবার হাজতখানায় আসামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে যারা হামলা করে, তারা সবাই মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি করেছেন আমিনুল।
এলাকাবাসীরা জানান, উনি প্রায় সবাইকেই কারণ ছাড়া আটক করেন। তাকে এতো বড় পাওয়ার কে দিয়েছেন? ভালো লোকদের আটক করে টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলেই মাদকসেবী বলে চালান করে দেন। মামলা করতে গেলেও ৫শ টাকা না দিলে আলাপ করেন না।
আতঙ্ক না বাড়িয়ে এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি করেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা।
মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট মুনীর চৌধুরী বলেন, অনেকদিন যাবতই তিনি আইনের নামে সাধারণ মানুষকে বেআইনীভাবে হয়রানী করছেন। টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এটা তদন্ত করা দরকার।
তবে নিরীহ কাউকে হয়রানি করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা।
রংপুরের পুলিশ সুপার বিপ্লব সরকার বলেন, সকল তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত দল প্রতিবেদন আকারে আমার কাছে জমা দেবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
হাজতী আসামীর মৃত্যুর বিষয়ে একটি ইউডি মামলা দায়ের করলেও হামলার বিষয়ে এখনও কোনো মামলা করেনি পুলিশ।

