সিপ্লাস ডেস্ক: ধর্ষণ মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয়জনের গ্রেপ্তার চেয়ে ফের আবেদন করেছেন অভিযোগকারী ঢাবির সেই ছাত্রী।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মাহমুদা আক্তারের আদালতে আবেদন করেন তিনি। আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করেছেন।
ওই ছাত্রী বলেন, লালবাগ ও কোতয়ালী থানায় ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর দুটি মামলা দায়ের করি। স্বাভাবিকভাবে এ ধরনের মামলা দায়েরের পরপরই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুই মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একই। দুই থানাই আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পারছে না। এ বিষয়ে একাধিকবার থানায় যোগাযোগ করেছি। পুলিশ শুধু বলছে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরো বলেন, আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও প্রতিবেদন দাখিলের আবেদন করেছি। ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে আমি সন্দিহান। যেহেতু কেউ মারা না গেলে টনক নড়ে না। তাই জীবন দিয়ে হলেও আমি ন্যায়বিচার পাওয়ার সেই পথে হাঁটবো।
এর আগে গত ৪ অক্টোবর ভিপি নুরসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তারের জন্য আবেদন করেন মামলার বাদী। আদালত সেদিনও আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।
এদিকে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) লালবাগ থানায় হওয়া ধর্ষণ মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় আদালত ২৭ অক্টোবর প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী লালবাগ থানায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে (২৮) প্রধান আসামি করে ছয় জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ (২৮), বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম (২৮), বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি নাজমুল হুদা (২৫) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহিল বাকি(২৩)।
পর ২১ সেপ্টেম্বর বাদী কোতোয়ালি থানায় একই অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেন।








