নিউজটি শেয়ার করুন

পটিয়ার বাজারে সব ধরনের নিত্য পন্যের দাম বাড়তি

পটিয়া প্রতিনিধি: পটিয়ায় বেড়েই চলছে নিত্যপণ্যের দাম। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। গত মাসের ব্যবধানে কেজিতে ২০ ও ২৫ টাকা বেড়েছে।

একই অবস্থা রসুন, আদা, চিনিসহ বেশ কয়েকটি নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

আর ৫০-৬০ টাকার নিচে তো পাওয়াই যায় না কোনো সবজি।

এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষেরা।

আজ শুক্রবার পটিয়ার মুন্সেফ বাজার, কামাল বাজার, শান্তির হাট বাজার ঘুরে এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫০-৬০ টাকা। এভাবেই বেড়েছে সবকটি পণ্যের দাম। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজি, প্রতি কেজি আদা বিক্রি হয়েছে ২৪০ টাকা, প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা। প্রতি কেজি মোটা চালের মধ্যে স্বর্ণা জাতের চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৪৮ টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা, আটা প্রতি কেজি ৩২-৩৩৫ টাকা, ভোজ্য তেলের মধ্যে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ৮৬-৮৭ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয়েছে ৫৩০ টাকা, এক চিনির দাম কেজি প্রতি ৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকা।

মুন্সেফ বাজারের ইদ্রিস এন্ড সন্সের বেলাল উদ্দিন বলেন, ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে পেঁয়াজের মোকামে শ্রমিকরা তিন দিন ধর্মঘট করছিল, সে কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কমেছে। এ ছাড়াও চাক্তাই খাতুনগন্জ এলাকায় টানা কয়েকদিন জোয়ারের পানিতে ভোগ্যপন্য নষ্ট হওয়ায় এবং একদিন পেয়াজ বিক্রি বন্ধ রাখাতে সাময়িক ভাবে পেয়াজের দাম বেড়েছে। যে কারণে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়া এবং মাসের শুরুতে অনেকেই বেতন পেয়ে একবারে বেশি করে পণ্য কিনতে বাজারে আসায় চাহিদা বৃদ্ধি এবং পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় পণ্যটির দাম বেড়েছিল। তবে ভারত থেকে পেঁয়াজ আসলেই আস্তে আস্তে বাজার স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি। তার মতে, বেশি কারসাজি করছে খুচরা বিক্রেতারা। তারা সুযোগ বুঝে বাড়তি দর নিচ্ছে।

বাজার ঘুরে জানা যায় , প্রতি ডজন ডিমে ১০-১৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ১১৫ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১২৫-১৩০ টাকা। টমেটো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, প্রতি কেজি গাজর বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকা, প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হয়েছে ৬০-৭০ টাকা, প্রতি কেজি করোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা, এ ছাড়াও প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা, অস্বাভাবিক দাম কাঁচামরিচে প্রতি কেজি ২৪০-২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কামাল বাজারের সবজি বিক্রেতা জামাল উদ্দিন জানান, দেশে বন্যার কারণে সরবরাহ কমেছে। ফলে এখন সব ধরনের সবজির দাম বাড়তি। বন্যার কারণে ভারত থেকেও পণ্য কম আসছে। ফলে বাজারে সবজির দাম বেড়েছে।