পটিয়া প্রতিনিধি: পটিয়ায় মীর কাসেম নামের এক সৌদি প্রবাসীকে পাওনা টাকা চাওয়ায় অপহরণ মামলা করে ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠানোর অভিযোগে এক সংবাদ সম্মেলন হয়েছে।
সোমবার(১২ জুলাই) উপজেলার খরনা ফকিরপাড়া শাহ বদর আউলিয়া (রহ.) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রবাসী এমন অভিযোগ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন খরনা ইউপি মেম্বার আবদুল জব্বার, ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি মিঞা মো. বাদশা, ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, এডভোকেট জসিম উদ্দীন, সমাজসেবক মীর আহমদ, বদর আউলিয়া (রহ.) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন জিহাদী। লিখিত বক্তব্যে বলেন-রেমিটেন্স যোদ্ধা মীর কাসেম দীর্ঘ ২৭ বছর প্রবাসে জীবনযাপনের পাশাপাশি রাজনীতি ও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কাজ করে আসছেন। ২০০০ সাল থেকে একটানা ২০১০ সাল পর্যন্ত সৌদি আরব দাম্মাম আল হাছা নগরে কর্মজীবন বসবাস করেন। ২০১৮ সালে উপজেলার খরনা ইউনিয়নের মাঝিরপাড়া গ্রামের বুলু ঠিকাদারী কাজ করার প্রস্তাব দেন। এক পর্যায়ে বিমান বন্দরের পানি নিস্কাশনের খাল ও নালার কোটি টাকার ঠিকাদারী কাজ করে। প্রথম দফায় ১ কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৯৫০ টাকা বিল পেলেও হিসেব নিকাশ করে রেমিটেন্স যোদ্ধা ১১ লাখ ৮৬ হাজার পান। পাওনা টাকা না দিতে ব্যবসায়িক পার্টনার বুলু নানা তালবাহানা করে। এ নিয়ে স্থানীয় দুই ইউপি চেয়ারম্যান মিলে তাদের সমস্যা সমাধান করার কথা ছিল। দিন তারিখও দেয়া হয়েছিল ইউপি চেয়ারম্যানদের দেয়া তারিখের আগে একটি অপহরণ মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করান। এক পর্যায়ে ব্যবসায়িক পার্টনারকে অপহরণ করার একটি মামলা করে পটিয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে মীর কাসেমকে গত ১৪ জুন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
মীর কাসেমের প্রাপ্য টাকা উদ্ধার, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ ব্যবসায়িক পার্টনারকে গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূরক শাস্তির দাবি জানান।
এই বিষয়ে জানার জন্য মাহবুবুল বশর প্রকাশ বুলু’র মোবাইলে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।








