নিউজটি শেয়ার করুন

পরীমনির বাসার নিচে ঝালমুড়ি, চা ও মাস্ক বিক্রেতাদের জমজমাট ব্যবসা!

সিপ্লাস ডেস্ক: ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনির বাসায় র‍্যাবের অভিযান শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দরজা বন্ধ করে লাইভে ঢুকে যান পরীমনি। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে উপস্থিত হতে থাকেন, র‍্যাব-পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পাশাপাশি সংবাদ সংগ্রহের জন্য একে একে আসতে থাকেন সংবাদ কর্মীরা। আর র‍্যাব-পুলিশ, সংবাদ কর্মী ও বিপুল পরিমাণ উৎসুক জনতার আগমনে বিশাল জনসমাগমে পরিণত হয় পরীমনির বনানীর সেই বাসার বাইরের অংশটি।

এরই সুযোগে ১০০ টি মাস্ক নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন মাস্ক ফেরিওয়ালা এমদাদ। আর মুহুর্তেই বিক্রি করে ফেলেন তার সবকটি মাস্ক। তার পুরো নাম মো. এমদাদুল হক।

তিনি ঢাকার এক সংবাদ মাধ্যমকে জানান, তার গ্রামের বাড়ি বরগুনায়। দুই ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে টানাপোড়েনের সংসার। জীবিকা নির্বাহ করতে তাই মাস্ক বিক্রির ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি। প্রতিদিন তার টার্গেট থাকে কমপক্ষে ২০০ মাস্ক বিক্রি করা। আজ বুধবার সারাদিন বনানীর বিভিন্ন সড়কে ঘুরে ঘুরে মাস্ক বিক্রি করেছেন তিনি। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বিক্রি না হওয়ায় হতাশায় ছিলেন তিনি।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে তার বনানীর বাসা থেকে আটকের খবর পান এমদাদুল। রাস্তার পাশের একটি ক্যান্টিনের টেলিভিশনের সংবাদ প্রতিবেদনে তিনি দেখেন- নায়িকার বাসার সামনে ভিড় জমিয়েছে শত শত মানুষ। সংবাদ দেখেই ১০০টি মাস্ক হাতে নিয়ে চলে যান পরীর বাসার সামনে। পরে স্ত্রীর মাধ্যমে বাসা থেকে আরো কিছু মাস্ক আনান এমদাদুল।

তবে শুধু যে এমদাদের মাস্ক বিক্রি হয়েছে তা কিন্তু নয়, মানুষের ভিড় দেখে বিকাল ৫টার দিক থেকেই সেখানে আসতে থাকেন বিভিন্ন পণ্যের ফেরিওয়ালারা। চা, আইসক্রিম, ঝালমুড়ি, মাস্কসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আসা বিক্রেতাদের বিক্রি জমে ওঠে।

এদিকে পরীমনিকে ঘিরে গতকাল থেকেই মেতে আছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে গণমাধ্যমগুলো। কেউ সংবাদ করছেন, কেউ ট্রল করছেন, কেউ বা গবেষণা করছেন পরীমনির উত্থান পতন নিয়ে। ভিডিও কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা বানাচ্ছেন একের পর ভিডিও কন্টেন্ট। কেউ বলছেন পরীমনির পক্ষে কেউ বা বলছেন তার বিপক্ষে। তবে যায় হোক ৪ আগস্ট বিকাল ৪ টার পর থেকে পুরো দেশ মেতে আছে নায়িকা পরীমনিকে নিয়ে। দেখা যাক, সামনে কোন বিষয়টি অপেক্ষা করছে দেশের মানুষকে মাতাল করার জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here