জিয়াউল হক ইমন: চট্টগ্রাম নগরবাসীর কাছে প্রবাদ বাক্য হিসাবে পরিচিত হয়ে গেছে ব্যাঙে মুতলে পানি উঠে। তারই ধারাবাহিকতায় লঘুচাপ ও মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে ভারি বর্ষণে কয়েক দিনের ব্যবধানে আবার ডুবেছিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরীর বাড়ীর উঠানসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকা।
বহদ্দারহাটে পানি থাকায় বিকল্প সড়ক আরাকান সড়ক দিয়ে গিয়ে অফিস করেছেন মেয়র।
সোমবার(২আগস্ট) রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে মঙ্গলবার(৩ আগস্ট) সকাল ১১টা পর্যন্ত চলা সেই বৃষ্টিতে মূলত জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে হাঁটু পানিতে ডুবে যায় নগরীর বিভিন্ন এলাকাসহ মেয়রের বাড়ীর উঠোন।
মঙ্গলবার বিকালে সিপ্লাসকে মেয়র জানান জলাবদ্ধতায় নগরবাসীর যেই গতি আমারও সেই গতি।

এ সময় মেয়র নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির বিভিন্ন কারণও তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বহদ্দারহাট ছাড়াও মুরাদপুর, শুলকবহর, কাপাসগোলা, চকবাজার, ডিসি রোড, বাকলিয়ার বিভিন্ন অংশ, আগ্রাবাদসহ কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তবে বিকালের মধ্যে বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি নেমে যেতেও দেখা যায়।
প্রকল্পের বাকী টাকা পাওয়াসহ আনুসাঙ্গিক সব ঠিকঠাক থাকলে নগরবাসী আগামী দুই বছরের মধ্যে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে বলে জানান চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস।
এর আগে গত ৬ জুন সিপ্লাসটিভিতে প্রথমবারের মতো ‘মাঝারি বৃষ্টিতে মেয়রের বাড়ীসহ তলিয়ে গেল চট্টগ্রাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রচার হয়।
৬ জুনের পরও টানা বৃষ্টির কারণে বেশ কয়েকবার মেয়রের বাড়ীর উঠানসহ নগরীর বিভিন্ন জায়গা ডুবেছিল।
২০১৭ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য ৫ হাজার ৬১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এ প্রকল্প ২০২০ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজ শেষ না হওয়ায় এক বছর সময় বাড়িয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত করা হয়েছিল। তারপরও বিভিন্ন কারনে তা ঐ সময়ের মধ্যে হচ্ছেনা বলে জানিয়েছে সিডিএ।
প্রসঙ্গত: গত ২৬ জুন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের অগ্রগতি পরিদর্শনে আসেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
সাথে ছিলেন জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কবির বিন আনোয়ার।
নগরীর বাসীর একটাই প্রত্যাশা অভিশাপ খ্যাত জলাবদ্ধতা থেকে চির মুক্তি।
বিস্তারিত ভিডিওতে…








