নিউজটি শেয়ার করুন

পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের শীঘ্রই পুনর্বাসন : চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের শীঘ্রই পুনর্বাসন

সিপ্লাস প্রতিবেদক: পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের শীঘ্রই পুনর্বাসন করা হবে জানিয়েছেন সদ্য যোগ দেয়া বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান।

মঙ্গলবার(৮জুন) সকালে নগরীর লালখানবাজার ওয়ার্ডের মতিঝর্ণা এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়  পরিদর্শনের কালে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মুমিনুর রহমান, লালখানবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু হাসনাত বেলাল তার সাথে ছিলেন।

পাহাড়ের পাদদেশে যেসব পরিবার ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে তাদের সতর্ক করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. কামরুল হাসান ও জেলা প্রশাসক মো. মুমিনুর রহমান। অতি বর্ষণে পাহাড় যেকোনো সময় ধসে পড়ে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটতে পারে জানিয়ে তাদেরকে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে নির্দেশনা দেন তাঁরা।

পরে লালখানবাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রিতদের খোঁজখবর নেন পরিদর্শক দল। এসময় আশ্রিতরা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে পাহাড়ে বসবাসের বিভিন্ন সমস্যা ও তাদের দূরাবস্থা তুলে ধরে তাদেরকে পুর্নবাসনের আবেদন জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত পরিবারগুলোকে শীঘ্রই পুনবার্সন করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো আমরা। এ বিষয়ে যেসব পদক্ষেপ করা গ্রহণ করা দরকার, আমাদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে তার কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, সামনেও আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে।

সব প্রস্তুতি নেওয়া আছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক মো মুমিনুর রহমান বলেন, পাহাড়ে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলো মারাত্বক ঝুঁকির মধ্যে আছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে ধীরে ধীরে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে। আমরা সবসময় সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে আসছি।

বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া ৭০ বছরের বৃদ্ধা রহিমা বেগম সরকারের কাছে তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সরকারই এখন আমাদের একমাত্র ভরসা। আমরা পাহাড়ে থাকতে চাই না। আমরা নিশ্চিন্তে পরিবার পরিজন নিয়ে বাচঁতে চাই। সরকার আমাদেরকে থাকার জন্য ঘরের ব্যবস্থা করে দিক। তাহলে আমরা আর পাহাড়ের নিচে থাকতে যাবো না।

এসময় ওয়ার্ড কমিশনার আবু হাসনাত বেলাল বলেন, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ঘুর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির সেচ্ছাসেবক ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সদস্যরা।