সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের পেকুয়ায়ও পিয়াঁজের বাজার খুবই ছড়া। চলতি সপ্তাহে তিন দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে পিয়াঁজের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা।
রবিবার দেশি পিয়াঁজের সরবরাহ বাজারে না থাকলেও পেকুয়া আলহাজ কবির মিয়ার বাজারে ইন্ডিয়ান পিয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০ টাকা, মিশরের পিয়াঁজ ৯৪ টাকা আর মায়ানমারের পিয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা হারে। হঠাৎ করে পিয়াঁজের এমন মুল্য বৃদ্ধিতে পিয়াঁজ কেনা নিয়ে সংশয়ে পড়েছে নিম্ম আয় ও নিম্মবিত্ত আয়ের মানুষেরা।
পেকুয়া বাজারে পিয়াঁজ কিনতে আসা মগনামার লবণ চাষী, মো জসিম উদ্দিন জানান, বর্তমানে আমি ১১৫ টাকা করে বিদেশী পিয়াজ কিনেছি। আমার মতো মানুষ এতা টাকা দিয়ে পিয়াঁজ কিনে খাবো তা দুরহ ব্যপার। একই সাথে আশেক নামের আরেক ক্রেতা বলেন, এ অবস্থা থাকলে সামনে থেকে হয়তো অমাদের পিয়াঁজ খাওয়া বাদ দিতে হবে।
এদিকে স্থাণীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দেশীয় পিয়াঁজের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকার কারনে বিদেশী পিঁয়াজ তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তবে তারা সরকার নিধারিত মুল্যের চাইতে বেশি দামে পাইকারী বাজার থেকে পিয়াঁজ কিনছেন বলে অভিযোগ করেন। তবে ক্রেতাদের দাবী দ্রুত পিয়াঁজের দাম কমানো হোক এবং পিয়াঁজের বাজার নিয়ন্ত্রনে আরো কঠোর ব্যবস্থা দরকার।








