Site icon CPLUSBD.COM

প্রতিপক্ষের কিরিচের কোপে গুরুতর আহত পটিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা চেয়ারম্যান মো. সৈয়দ

সিপ্লাস প্রতিবেদক: জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. সৈয়দকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।  এঘটনায় আহত হন তার বড় ভাই মো. ইউনুস(৫৫)।

বুধবার(২৬মে) দুপুরে পটিয়ার খানমোহনা হরিজন দিঘীর পাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পটিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ পলাশ বলেন, মঙ্গলবার মো, সৈয়দের ক্রয় করা সম্পত্তিতে বালির বস্তা দিয়ে অবৈধভাবে একটি রাস্তা তৈরী করে প্রতিপক্ষ । বুধবার দুপুরে মো. সৈয়দ তার বড় ভাইকে নিয়ে জমি দেখতে গেলে সন্ত্রাসী মনজুর ও মিন্টুর নেতৃত্বে একদল দুবৃত্ত ধারালো কিরিচ ও দা দিয়ে সৈয়দের উপরে হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার বাম হাতের চারটি আঙ্গুল কেটে যায়। এই সময় তার মাথায়ও আঘাত লাগে। এসময় তার বড় ভাই মো. ইউনুসের মাথায়, হাতে ও পায়ে আঘাত পান।

ঘটনার বিষয়ে পটিয়া থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, “জমির বিরোধ নিয়ে ঘটনা বলে জানতে পেরেছি। চেয়ারম্যান (মুহাম্মদ ছৈয়দ) এক পক্ষের কাছে জমি বিক্রি করেন। সামনে হাঁটাচলার পথ দেয়ার কথা ছিল। না দেয়ায় তারা উনাকে না জানিয়ে রাস্তা করে ফেলে। আজ সেখানে গেলে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় মারামারি শুরু হলে হাত দিয়ে আটকাতে গেলে চেয়ারম্যানের হাতে কোপ লাগে।”

বেলা ১২টার দিকে ঘটনা ঘটলেও রাত আটটা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি বলে জানান ওসি রেজাউল করিম মজুমদার।

আহত মুহাম্মদ ছৈয়দ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

তার পরিবারের এক সদস্য বলেন, হাসপাতালে আনার পর স্থানীয় লোকজনের সাথে শহরের কিছু লোকজনসহ আমাদের অনুসরণ করতে থাকে। বিষয়টি মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়িতে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে চমেক পুলিশ ফাঁড়ির পরির্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমি গিয়ে আহত ব্যক্তিকে অপারেশন থিয়েটারে পৌঁছে দিই। বহিরাগতদের পাইনি। হাসপাতাল চিকিৎসার জায়গা। এখানে বাইরের কোনো বিরোধ নিয়ে কেউ গন্ডগোল করতে দেয়া হবে না।

আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল্লাহ পলাশ চমেক হাসপাতালের জানান, মুহাম্মদ ছৈয়দের হাতের চারটি আঙ্গুলে জখম গুরুতর। অপারেশন করা হয়েছে। এরপর তাকে ঢাকা পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

উল্লেখ্য, পটিয়ার দক্ষিণভুর্ষি ইউনিয়নের দুইবারের চেয়ারম্যান মো সৈয়দ পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পটিয়া থিয়েটারের সভাপতি। সাহিত্য বিশারদ স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা।