জিয়াউল হক ইমন: আসন্ন ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে স্থায়ী ও অস্থায়ীসহ নিজেদের মালিকানাধীন সাতটি হাট ইজারা দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
এর মধ্যে স্থায়ী হাটগুলো হলো সাগরিকা গরুর বাজার, বিবির হাট গরুর বাজার ও পোস্তার পাড় ছাগল বাজার। আর অস্থায়ী হাটগুলো হল কর্ণফুলী গরুর বাজার (নূর নগর হাউজিং এস্টেট), কমল মহাজন হাট পশু বাজার, সল্টগোলা রেলক্রসিং সংলগ্ন স্থান এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে টিকে গ্রুপের খালি মাঠ।
এদিকে, বেশীর ভাগ হাট বেচা-কেনার জন্য প্রস্তুত হলেও কোন কোন হাটে এখনো পর্যাপ্ত পরিমাণ পশুর দেখা নেই।
রোববার(১৯জুলাই) ও সোমবার (২০ জুলাই) সরেজমিনে সাগরিকা বাজারে কিছু গরু দেখা গেলেও বিবির হাটসহ কয়েকটি হাটে গরু দেখা যায়নি। বিবির হাটে কোরবানীর জন্য গরু কিনতে আসলেও না পেয়ে হতাশ হয়েছেন অনেক ক্রেতা।

কয়েক জন ক্রেতা জানান, গরুর দাম কম হবে আগে-ভাগে হাটে আসছি। কম দামে পেলে একটা কিনে নিয়ে যেতাম। কিন্তু দেখছি হাটে এখনো গরু আসেনি।
চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম সিপ্লাসকে বলেন, ‘এবার হাট বসবে দুই শিফটে। এই ক্ষেত্রে কোনো হাট সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত এক শিফট এবং বিকাল চারটা থেকে রাত দশটা বা ১১টা পর্যন্ত আরেক শিফট। আবার হাটগুলোকে ওয়ার্ড ভেদে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে। যাতে নির্দিষ্ট ওয়ার্ডের মানুষ নির্দিষ্ট হাটেই যান।’
তিনি বলেন, ‘হাটগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্য স্বাস্থবিধির মানার জন্য ১৯ শর্ত দিয়েছে চসিক। বাজারে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য আলাদা আলাদা পথ থাকবে। স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকবে। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর জোর দেওয়া হবে। ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। আমাদের আহ্বান থাকবে, এক সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজনের বেশি মানুস যেন বাজারে না যান।’
চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামে এবার কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে সাত লাখ ৩১ হাজার। এর বিপরীতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদন হয়েছে ছয় লাখ ৮৯ হাজার ২২টি। এর মধ্যে গরু চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭২টি, মহিষ ৫৭ হাজার ১৩১টি, ছাগল ও ভেড়া এক লাখ ৬৭ হাজার ২১০টি এবং অন্যান্য ১০৯টি।








