ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ফটিকছড়ি উপজেলার সমিতিরহাটে ধুরুং খালের পানি নিস্কাসন কাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। ১২ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে ইউনিয়নের দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর গ্রামের মনু সারাং ঘাটা হালদার মুখ এলাকায় এ ঘটে।
এ ঘটনায় অনন্ত: ৫ কৃষক আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিনুল হাসান ও ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল ইসলাম।
জানা যায়, মরা ধুরুং খালটি রোসাংগিরী ইউনিয়ন হয়ে সমিতিরহাট দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। যা দক্ষিণ নিশ্চিন্তাপুর গ্রামের মনু সারাং ঘাটা এলাকায় গিয়ে হালদা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, খালের বিভিন্ন স্থানে বর্ষাকালে মাছ ধরার জন্য ডোব জাল ফেলে বল্লম এবং বস্তা দিয়ে পানি চলাচলের স্বাভাবিক প্রবাহকে বাঁধা সৃষ্টি করে আসছে স্থানীয় মাছ শিকারী কতিপয় ব্যক্তি। মাছ শিকারের এমন কার্যক্রমের ফলে পানি চলাচলের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার প্রতিবছর দৌলতপুর, রোসাংগিরী ও সমিতিরহাটের হাজার হাজার একর কৃষি জমি পানিতে তলিয়ে যায়। যার কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হন হাজারো কৃষকরা। এ সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য রোসাংগিরী ও সমিতিরহাট ইউনিয়নের দুই চেয়ারম্যানদের সাথে কথা বলেন ভুক্তভোগি কৃষকরা। জলাবদ্ধতা নিরসনে দুই চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধুরুং খালে দেওয়া কৃত্রিম বাঁধ গুলো তুলে দিতে কাজ শুরু করেন স্থানীয় কৃষকরা। বৃহস্পতিবার সকালে রোসংগিরীর শত শত কৃষক সমিতিরহাট অংশে খাল পরিস্কার কার্যক্রমে নামলে সমিতিরহাটে গুটিকয়েক মাছ শিকারী এতে বাঁধা প্রদান করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। কিছু বুঝে উঠার আগে খাল পরিস্কার করতে যাওয়া কৃষকদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায় মাছ শিকারীরা। এ ঘটনায় রোসাংগিরীর এনামুল হকসহ অন্তত: ৫ কৃষক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে রোসাংগিরী এলাকার কৃষক মঈনুদ্দীন বাদী হয়ে সমিতিরহাটের দুলাল ও ইকবালকে সুনির্দিষ্ট করে স্থানীয় আরো ৩০/৩৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে ফটিকছড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, ‘খাল পরিস্কার কার্যক্রমে বাঁধা সৃষ্টি করেছেন একটি চক্র। এ ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমরা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।’








