ফটিকছড়ির খিরাম ইউনিয়নে জাহেদা অাক্তার (২৩) নামের এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার খিরাম ইউনিয়নের মগকাটা গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডের রুশনির টিলা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। নিহত জাহেদা আক্তার ওই এলাকার মুহাম্মদ ইলিয়াছের কন্যা ওমর ফারুক রুবেলের স্ত্রী।
নিহতের পরিবারের সদস্যের সাথে কথা হলে তারা জানান, গত বুধবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে নিহত জাহেদা ও স্বামী রুবেলের মধ্যে কথাকাটি হয়। এক পর্যায়ে স্ত্রী জাহেদা বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
পরে স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তাকে স্থানীয় চৌমুহনী বাজারের গ্রাম্য চিকিৎসক সাধন চন্দ্র শীলের কাছে নিয়ে গেলে তিনি নিয়মবহির্ভুতভাবে ২ দিন তার তথাকতিথ ক্লিনিকে জাহেদাকে ভর্তি রাখেন।
দু’দিন পর জাহেদার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার সকাল ৮ টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে। পরে পরিবারের সদস্যরা প্রশাসনকে না জানিয়ে লাশ বাড়ীতে দাফনের অায়োজন করেন। পরে পুলিশ খবর পেলে রাত ৮ টার দিকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এদিকে এ ধরনের রোগীদের পুলিশ কেইস ছাড়া কোন ধরনের প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়ার নিয়ম অাছে কিনা জানতে চাইলে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক সাধন চন্দ্র বলেন, ‘অামাদের মতো চিকিৎসকদের বিষপান করা রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার বিধান নেই। আমি ভুল করেছি।
অপরদিকে এ ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার সচেতন মহল মনে করে, স্বীকৃত চিকিৎসালয় থেকে যথাযথ চিকিৎসা পেলে জাহেদার এমন মৃত্যু হতো না। তারা ভুল চিকিৎসা ও সময় ক্ষেপনের জন্য ওই চিকিৎসকের শাস্তি দাবী করেন।
জানতে চাইলে শুক্রবার রাতে ফটিকছড়ি থানার ওসি বাবুল আক্তার বলেন, আমরা খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ‘








