নিউজটি শেয়ার করুন

ফটিকছড়িতে ডাকাতির তিন মাস পর অলঙ্কার উদ্ধার, নগরীতে গ্রেপ্তার ৪

সিপ্লাস প্রতিবেদক: ফটিকছড়ির একটি বাড়িতে ডাকাতির তিন মাস পর চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. নূরুল ইসলাম (৪৩), মো. সেলিম (৪২), মো. মোশারফ (২৬) ও ইব্রাহিম খলিল (৩২)।

এছাড়া ডাকাতির স্বর্ণালঙ্কার কেনার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকেও গ্রেপ্তার করে লুন্ঠিত চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পরিদর্শক মোজাম্মেল হক বলেন, গত ২৯ অগাস্ট গভীর রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার দৌলতপুরে মুহাম্মদ মহসিন নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ১০-১৫ জন ডাকাত হানা দিয়ে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা, ১০টি মোবাইল ফোন ও অন্তত ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়।

এই ঘটনায় ৩০ অগাস্ট ফটিকছড়ি থানায় মুহাম্মদ মহসিন বাদি হয়ে মামলা করেন। ১০ সেপ্টেম্বর পিবিআই মামলটির তদন্ত শুরু করে।

পরিদর্শক মোজাম্মেল জানান, ডাকাতির ঘটনার পর গত সেপ্টেম্বর মাসে লুট করা দুইটি মোবাইলসহ একজনকে নগরীর কর্নেল হাট এবং একটি মোবাইলসহ আরেকজনকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর টানা তদন্ত চালিয়ে ডাকাতিতে ব্যবহৃত গাড়ির চালককে গত অক্টোবরে চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা থেকে আটক করা হয় জানিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, “শুক্রবার নগরীর কাঠগড় এলাকা থেকে সেলিম এবং হালিশহর এলাকা থেকে মোশারফ, পাহাড়তলী এলাকা থেকে নূরুল ইসলাম ও আকবর শাহ এলাকা থেকে ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

“পরে জিজ্ঞাসাবাদে নূরুল ইসলাম কর্নেল হাট বাজারে একটি স্বর্ণের দোকানের সন্ধান দেয়, যেখানে লুন্ঠিত মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে একটি চেইন ও কানের দুল উদ্ধার করে মালিক রানা কান্তি দে’কে গ্রেপ্তার করা হয়।”

তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল জানান, এই ডাকাতির মূল হোতা নূরুল ইসলাম ও শাহ আলম নামের দুইজন। তারা বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায় এবং নির্জন বাড়ি টার্গেট করে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়। এর আগেও তারা বিভিন্ন স্থানে ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। লক্ষ্মীপুরে শাহ আলমের বাড়ি। তবে সে এখনও পলাতক।

ফটিকছড়ির যে বাড়িতে ডাকাতি করা হয়েছে সেটিও নির্জন এলাকায়। ওই বাড়ির পাশে আর কোন বাড়ি ছিল না।