সিপ্লাস ডেস্ক: ফেনীর দাগনভূঞায় মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে (১৬) বলৎকারের অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নাম এমদাদ উল্যাহ (২৭)। তিনি উপজেলার এয়াকুবপুর ইউনিয়নের একটি আবাসিক মাদ্রাসার শিক্ষক ও নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাসিন্দা।
সোমবার বিকেলে (৭ ডিসেম্বর) দাগনভূঞা থানা পুলিশ তাকে মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, ভিকটিম একই মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থী। ওই শিক্ষকও মাদ্রাসায় একটি কক্ষে থাকতেন। গত কয়েক মাস থেকে ওই শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নানা কৌশলে ওই শিক্ষক তাকে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ (বলৎকার) করেন। গত দুই দিন আগে ওই শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে আর মাদ্রাসায় যেতে চায় না। অভিভাবকদের পিড়াপিড়িতে সে ওই মাদ্রাসা শিক্ষকের যৌন নিপীড়নের কথা জানায়। সোমবার ওই শিক্ষার্থীকে নিয়ে অভিভাবক মাদ্রাসায় যায় এবং কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানায়। সেখানেও ওই শিক্ষার্থী একই অভিযোগ করে।
খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা পুলিশ মাদ্রাসায় গিয়ে ওই শিক্ষক এমদাদ উল্যাহকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দাগনভূঁঞা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ মাদ্রাসা ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের ও অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) ওই শিক্ষককে আদালতে পাঠানোসহ সব আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।








