আদালত প্রতিবেদক: ব্যক্তিগত ফোনালাপে ফাঁস হওয়াইর কারনে সংবিধান মতে নাগরিক অধিকার খর্ব হচ্ছে মর্মে এবং তা বন্ধের নির্দেশনা এবং প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদনল করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ১০ আগস্ট) হাইকোর্টের ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির সংশ্লিষ্ট কয়েক কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করে এ রিট আবেদন দায়ের করেন।
রিটকারী আইনজীবী হলেন- অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা ফেরদৌস, অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার বনিক, অ্যাডভোকেট শাহ নাবিলা কাশফী, অ্যাডভোকেট ফরহাদ আহমেদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নওয়াব আলী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েস ও অ্যাডভোকেট একরামুল কবির।
এই রিটে বিবাদী হলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি)। এর আগে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে এই ১০ জন আইনজীবী পক্ষে নোটিশ পাঠিয়েছিলেন সংশ্লিষ্টদের কাছে। কিন্তু নোটিশ পাওয়ার পরেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় হাইকোর্টে আজ এই রিট করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
রিটের মুল বক্তব্য হলো, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে অনুযায়ী চিঠিপত্র এবং যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা অহরহ ঘটছে। তাই এটি বন্ধ হওয়া উচিত কল্পে এই রিট।








