সিপ্লাস প্রতিবেদক: হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক জাকারিয়া নোমান ফয়েজীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলার বাদিনীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক সোমবার ( ১০ মে) বিকালে এ তথ্য জানান।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় এক নারী বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলাটি দায়ের করেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক বলেন, জাকারিয়া নোমান ফয়েজীর বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগসহ বিয়ের প্রলোভন ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর গত শনিবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
এদিকে, হাটহাজারী থানার ধর্ষণের মামলায় হেফাজত নেতা জাকারিয়া নোমান ফয়েজীকে গ্রেফতার দেখানো ও পুনরায় রিমান্ডের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আফজারুল হক টুটুল।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফেসবুকের মাধ্যমে জাকারিয়া নোমান ফয়েজীর পরিচয় ঘটে। ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত চ্যাটিং হয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২০১৯ সালের নভেম্বরে হাটহাজারীর কনক বিল্ডিংয়ের নীচ তলায় বাসা ভাড়া করে দেন ফয়েজী। দীর্ঘ এক বছর ওই ভাড়া বাসায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন ফয়েজী। গত বছর হাটহাজারী থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে খালার বাসায় চলে আসার পরও বিভিন্ন বাসা ও হোটেলে নিয়ে গিয়ে সুকৌশলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১) মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন এসআই মো.মুকিব হাসান।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৫ মে) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারের পর ওইদিন সন্ধ্যায় তাকে চট্টগ্রাম নিয়ে আসা হয়। এরপর তাকে গত বৃহস্পতিবার (৬ মে) আদালতে তুলে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।








