নিউজটি শেয়ার করুন

বখাটের অপমান সইতে না পেরে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা: শাস্তির দাবিতে সহপাঠিদের মানববন্ধন

বখাটের হয়রানীতে অতিষ্ঠ হয়ে রোববার রাত সাড়ে ৮টায় বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা থানাধীন বাঙ্গালহালিয়া কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী শামীমা আক্তার (১৮)। নোরা ছবি এডিট করে শামীমার হবু বরকে প্রেরণ করে বিয়ে না করতে হুমকি দেওয়ায় পূর্ব নির্ধারিত বিয়ে ভেঙে যাওয়ার অপমানে অত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে শামীমা। সোমবার দুপুরে ‘বাঙ্গালহালিয়া সরকারি কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রী’র ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানবন্ধনে এমন অভিযোগ করে নিহতের সহপাঠি ও পরিবার।

রোববার রাত ৮টায় বিষপান করার পর স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রের ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার দুপুরে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয় তাকে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা থানা অফিসার ইনচার্জ আশ্রাফ উদ্দিন বলেন, বাঙ্গালহালিয়ার শফিপুরের মো. সাহেব আলীর মেয়ে শামীমা আক্তার আত্মহত্যা করেছে। স্থানীয়ভাবে বখাটের অত্যাচারে সে বিষপান করার কথা শুনলেও পরিবার থেকে এখনো কোন লিখিত দেওয়া হয়নি। লিখিত দেওয়া হলে অপরাধীর বিরোদ্ধে অবশ্যই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শামীমার আত্মহত্যায় প্ররোচনা দানকারী বাঙ্গালহালিয়ার ডাক বাংলা পাড়ার শহিদের ছেলে মটোর সাইকেল বখাটে রানার গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানবন্ধন করেছে বাঙ্গালহালিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। তারা এই ন্যাক্কারজনক নির্মম ঘটনার সথে জড়িত রান্নাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানায়। মনববন্ধনে অভিযোগ করে নিহতের পরিবার ও ছাত্রছাত্রীরা বলেন, রানা কিছু নোংরা ছবিকে এডিট করে শামীমার প্রবাসী হবু স্বামীকে প্রেরণ করে তাকে বিয়ে করতে হুমকি প্রদান করে। শেষে রোববার রাতে মুঠোফোনে বিয়ে ভেঙে দেয় বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের মো. নেসার।