Site icon CPLUSBD.COM

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফাসিঁ কার্যকর করা হউক-এমপি কমল

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফাসিঁ কার্যকর করা হউক-এমপি কমল

হাবিবুর রহমান সোহেল,রামু: তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল বলেছেন, “জিয়াউর রহমানই হল বঙ্গবন্ধু খুনের মাস্টার মাইন্ড, মূল হোতা। জিয়াউর রহমান—খন্দকার মোশতাক চক্রই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব—পরিবারের নির্মমভাবে হত্যা করেছে। তারা ছাড়া পৃথিবীর ইতিহাসের বর্বরোচিত এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো সম্ভব ছিল না। তাই খুনি মোশতাক ও জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের জন্য একটি বিল পাশের দাবি উত্থাপন করা হবে সংসদে। সেই সাথে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের বিদেশ থেকে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে নতুন করে আর জঙ্গিবাদ, হত্যাকারী, লুটতরাজ, ভূমিদস্যু সৃষ্টি হতে না পারে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) বুধবার বিকেলে, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদাৎবার্ষিকী, জাতীয় শোক দিবস ও মেজবান উপলক্ষে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কচ্ছপিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু মোঃ ইসমাইল নোমানের সভাপতিত্বে, নাছির উদ্দিন সোহেল সিকদার ও আবদুল্লাহ নোমান বাপ্পীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুনিয়া পালং ইউপি চেয়াম্যান আবদুল মাবুদ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক শফিউল্লাহ, রামু উপজেলার ভাইসচেয়ারম্যান সালাউদ্দিন, কাউয়ারকুপ ইউনিয়নের সাম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুন, কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান সোহেল, হাফিজুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ছাবেকুন নাহার, ইয়াছমিন আক্তার, জামাল উদ্দিন, কৃষকলীগ সভাপতি হানিফ ভূট্টোসহ অনেকে।

সভায় বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না, আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেতাম না, পেতাম না স্বাধীন দেশ। ফাঁসির মুখেও গিয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু দেশ ও মানুষের অধিকারের প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির এক অবিসংবাদিত নেতা।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বিশ্বের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধু শোষিত, বঞ্চিত, অসহায় দরিদ্র মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রাম ও শহরের মধ্যে বৈষম্য দূর করতে কাজ করছেন। পরে সন্ধ্যায়, ১০ হাজার মানুষকে খাবার খাওয়ানো হয়।