সিপ্লাস ডেস্ক: বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য অপসারণের হুমকিদাতা ধর্মান্ধ-মৌলবাদীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে যুব মৈত্রী।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে সাম্প্রদায়িক, ধর্মান্ধ অপশক্তির আস্ফালন এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে যুব মৈত্রী চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

গতকাল শনিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর চেরাগী পাহাড় চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙার হুমকি ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পৃষ্টপোষকতায়, আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে দিন দিন সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বিকাশ লাভ করছে। সাম্প্রদায়িক বিতর্কিত সংগঠন হেফাজত ইসলামের সাথে সরকারের আপোসকামীতায় তারা আরো শক্তি সঞ্চয় করেছে। হেফাজতের দাবি মেনে নিয়ে শিক্ষানীতির সর্বনাশ ঘটানো হয়েছে। এতে মৌলিক শিক্ষার উন্নয়ন না ঘটিয়ে শিক্ষা-সংস্কৃতির নিম্নগামীতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি পাল্টানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ দেশের অন্যান্য ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার হুমকি দিয়ে রীতিমত মাঠে নেমেছে। সরকার-উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ও রাষ্ট্রের চার মূলনীতির বিরুদ্ধাচরণ দেশদ্রোহিতার সামিল। ভাস্কর্য বিরোধী ও দেশ বিরোধী মৌলবাদীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। শুক্রবার রাতে কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙ্গার মধ্য দিয়ে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এখনই এই অপশক্তিকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। নয়তো লাখ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ আবারো পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরে যাবে।
যুব মৈত্রী চট্টগ্রাম জেলা সহ-সভাপতি আবুল মনসুরের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন ওয়ার্কার্স পার্টি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সদস্য সুপায়ন বড়ুয়া, সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ছাত্র ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সভাপতি প্রীতম দাশ, যুবনেতা পারভেজ রায়হান , আব্দুল্লাহ আল নোমান, ছাত্র মৈত্রী চট্টগ্রাম মহানগরের সহ-সভাপতি সাইফুদ্দিন সুজন, সাধারন সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন, ছাত্রনেতা মো. সাজু প্রমুখ।
সমাবেশের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।








