প্রথমেই ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বিপিএল এর সর্বোচ্চ টার্গেট দিয়েছিল ঢাকা প্লাটুনকে। কিন্তু সেই ২২২ রানের জন্য লড়াই করে অবশেষে ১৬ রানে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে হারলো ঢাকা প্লাটুন।
সর্বোচ্চ রানের টার্গেট মোকাবেলা করতে ভালই লড়াই করেছিল ঢাকা প্লাটুন। কিন্তু চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বোলারদের শানিত বলে ২০৫রানে ইতি টানতে হয় ঢাকা প্লাটুনকে।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে চার ছক্কায় মাঠ কাপিয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ২২২রানের টার্গেট দেয় ঢাকা প্লাটুনকে। এটা বিপিএল এর সর্বোচ্চ টার্গেট।
বঙ্গবন্ধু বিপি এল এর এ খেলায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের খেলোয়াড়রা ১১টি ছক্কা ও ২৩টি চার মেরে রানের পাহাড় গড়ে তোলে।
চট্টগ্রাম পর্বের দ্বিতীয় এ ম্যাচে চট্টগ্রামের ব্যাটিং দাপটে মেতেছে পুরো মাঠ। দর্শকের উল্লাস ধ্বনিতে ফেটে পড়ছে পুরো গ্যালারী।
এর মধ্যে সিমন্স ৪টা ছক্কা ও ৫টা চার, অভিষেক ফারেনান্দো ১টি ছক্কা ৪টি চার, ইমরুল কায়েস ১টি ছক্কা ৫টি চার, মাহমুদউল্লাহ ৪টা ছক্কা ও ৫টি চার , ওয়ালটন ৩টা চার ও ১টি ছক্কা এবং নুরুল হাসান ১টি চার মেরেছেন।
এছাড়া এক্সট্রা রান যোগ হয়েছে ৫টি।
এদিকে পরে ব্যাট করতে নেমে ১২টি চার ও ১৩টি ছক্কা হাঁকান ঢাকা প্লাটুনের ব্যাটসম্যানরা। এর মধ্যে মইনুল হক ৩টি চার ২টি ছক্কা, জাকির আলী ২টি চার ২টি ছক্কা, ইভানস্ ২টি চার, পেরেরা ৩টা চার ৪টা ছক্কা, অাফ্রিদি ১টা চার, মাশরাফি ১টা চার ৩টা ছক্কা মারেন। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের চেয়ে ২টি ছক্কা বেশী হাঁকালেও রানের গতি চ্যালেঞ্জার্সের চ্যালেঞ্জ জয় করতে পারেনি। ফলে ১৬ রানে হারতে হয় ঢাকা প্লাটুনকে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
চট্টগ্রাম: ২০ ওভারে ২২১/৪ (মাহমুদউল্লাহ ৫৯, সিমন্স ৫৭, ইমরুল ৪০, ওয়ালটন ২৭*, ফার্নান্দো ২৬)।
ঢাকা প্লাটুন: ২০ ওভারে ২০৫/১০ (মুমিনুল ৫৩, পেরেরা ৪৭, জাকির আলী ২৭, মাশরাফি ২৩; মেহেদী হাসান রানা ৩/২৩)।
ফল: চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ১৬ রানে জয়ী।

