নিউজটি শেয়ার করুন

বদরখালী ইউনিয়ন ব্যাংকের দরজায় গ্রাহকের ভীড়, কর্তৃপক্ষের স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

মহেশখালী প্রতিনিধি: ব্যাংকের দরজায় গ্রাহকেরর জড়ো। দূরত্ব এড়াতে কর্তৃপক্ষের নেই কোন পদক্ষেপ। অন্যদিকে প্রবেশ করারও কোন সিরিয়াল নেই! পরিচিত বড় লোকের মুখ দেখে দেখে ব্যাংকে ঢুকানো হয় বলে অভিযোগ তোলেন সচেতন গ্রাহকবৃন্দ। ফলে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই ব্যাংকের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অনেক গ্রাহক ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন ব্যাংকে যারা লেনদেন করে তারা সবাই কর্তৃপক্ষের নিকট সমান।

এখানে কেন স্বজনপ্রীতি হবে আমাদের বোধগম্য নয়? বর্তমান সারাদেশ মহামারিতে রূপ নিয়েছে। সরকারের নির্দেশক্রমে পুরো দেশকে ঘোষণা করা হয়েছে লকডাউন। জনসাধরণ সুরক্ষিত থাকতে ঘরে থাকার জন্য স্ব স্ব উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নির্দেশে জনপ্রতিনিধিগণ প্রত্যন্তঞ্চলে প্রতিনিয়ত মাইকিং করে যাচ্ছে। মাইকিং এ প্রচার প্রচারণায় বলা হচ্ছে দুরত্ব বজায় রাখুন। জনসমাগম না করুন। ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন। ২৬ এপ্রিল রবিবার দুপুর পৌন ১২ টার সময় চকরিয়া উপজেলার বদরখালীস্থ ইউনিয়ন ব্যাংকের দরজায় গ্রাহকদের ভিড়। ফলে করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে রয়েছেন জানান সচেতন গ্রাহক।

জানাযায় যায়, ব্যাংক চলাকালিন দরজায় মানুষের ভিড় লেগে থাকে। নাই কোন হাত পরিষ্কারের ব্যবস্থা ও তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র ও। যেখানে সরকারে স্পষ্টভাবে নির্দেশ রয়েছে মহামারি সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসমাগম এবং সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন। ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার রাখুন বলা হলেও ওই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এখনো ঘুমিয়ে আছে। টাকা উত্তোলন করতে আসা পাশ্ববর্তী উপজেলা মহেশখালীর মাতারবাড়ীর মোস্তাফিজ নামে এক গ্রাহক জানান, এ ব্যাংকে এসে করোনা আতঙ্কে আছি। যেহেতু এখানে নাই কোন প্রতিরোধে ব্যবস্থা।

এমন কি দরজায় ভিতর থেকে এসে দায়িত্বরতরা পরিচিতদের ডেকে নিয়ে গ্রাহক সেবা দিচ্ছে বলেন জানান তিনি। কিন্তু লাইনে দাঁড়ানো গ্রাহকরা ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকার পরেও সেবা পাচ্ছেনা এমন কথা শোনা যাচ্ছে উক্ত ব্যাংকের দায়িত্বরতদের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে বদরখালী ইউনিয়ন ব্যাংকে কর্মরত ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জানান, দুরত্ব বজায় রেখে দাঁড়াতে আমি বারেবারে গিয়ে গ্রাহকদের অনুরোধ করি। তবে আমাদের কিছু গ্রাহক আছে যাদের সিরিয়ালের প্রয়োজন হয় না।