টেকনাফ প্রতিনিধি: টেকনাফ পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জকির গ্রুপের অন্যতম সহযোগী মো.শরিফ (২৬) নিহত হয়েছেন। নিহত চিহ্নিত ডাকাত হল, টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের শালবাগান ২৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি ব্লকের মো.ছালামের ছেলে মো. শরিফ(২৬)।
৭ জুন ভোররাতে টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের শালবাগান ২৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ের পাদদেশ এলাকায় এঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশের দুই সদস্য এএসআই আমির হোসেন ও কনেস্টেবল মো.আজিজ আহত হন।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, গতকাল রাতে টেকনাফ থানার এসআই জামশেদ আহমেদ গোপন সংবাদে জানতে পারে, নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডাকাত জকির তার সদস্যদের নিয়ে শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকার পাহাড়ের পাদদেশে অস্ত্রসস্ত্রসহ অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদটি অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করিলে তাহার নির্দেশ থানা পুলিশের একটিদল ঘটনাস্থলে রওয়ানা করেন। সেখানে পৌছাইলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অন্যতম ডাকাত জকির তার সহযোগীসহ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে এতে ঘটনাস্থলে পুলিশের এএসআই আমির হোসেন ও কনেস্টেবল মোঃ আজিজ আহত হয়। পুলিশ তাৎক্ষণিক নিজেদের জীবন ও সরকারী সম্পত্তি রক্ষার্থে গুলি করেন। একপর্যায়ে গোলাগুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে আশপাশের রোহিঙ্গা লোকজন এগিয়ে আসতে থাকিলে পুলিশ গুলি করা বন্ধ করে। পরে ডাকাত জকিরসহ তার সদস্যরা এলোপাতাড়ি গুলি করতে করতে দ্রুতগতিতে পাহাড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবৃদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে সেখানে পৌছাইলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহত শরিফের মৃতদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, দুই টি দেশীয় তৈরী এলজি (আগ্নেআন্ত্র),সাত রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং আট রাউন্ড কার্তুজের খালি খোসা উদ্ধার করা হয়। তিনি জকির গ্রুপের অন্যতম সদস্য। ডাকাত, মাদক ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে উল্লেখ করে এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন।

