নিউজটি শেয়ার করুন

‘বর্তমান অনির্বাচিত দখলদার সরকার মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা নষ্ট করে দিচ্ছে’

সিপ্লাস ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান অনির্বাচিত দখলদার সরকার রাজনীতি, অর্থনীতি ও মানুষের আশা আকাক্সক্ষা পুরোপুরিভাবে নষ্ট করে দিচ্ছে। গণতন্ত্র একেবারে নেই। আমাদের দেশনেত্রীকে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে গৃহঅন্তরীণ করে রেখেছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে করে রেখেছে নির্বাসিত। আমাদের প্রায় ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা।

বুধবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে শুরু হওয়া রুদ্ধদ্বার দ্বিতীয় দফার সিরিজ বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সরকারের হাত থেকে জনগণকে মুক্তি ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির ধারাবাহিক বৈঠক করছি। সেখানে নেতাদের মতামত নিচ্ছি। ভবিষ্যতে দলের রাজনীতি, সর্বোপরি জাতীয় রাজনীতির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সাংগঠনিক বিষয়েও নেতারা বলেছেন।’

এ বৈঠকে যুক্তরাজ্য থেকে স্কাইপির মাধ্যমে যুক্ত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু মূল মঞ্চে ছিলেন। বৈঠকে সাংগঠনিক বিভাগ চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা অঞ্চলের বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতিসহ ১২৯ নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও অংশ নেন ৮৫ জন। ছয় ঘণ্টা ধরে চলা ওই বৈঠকে ৬৩ নেতা তাদের মতামত তুলে ধরেন বলে জানা গেছে।

এতে বেশিরভাগ নেতাই আন্দোলনের পক্ষে মত দিয়ে বলেন, এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাওয়া যাবে না। সরকারবিরোধী সব রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়েই নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করে ভোটে যেতে হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মতামত শোনার পর দলের হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয় সবাই আন্দোলনের কথা বলছেন, দলকে শক্তিশালীর কথা বলছেন, মাঠে না থাকলে পদ-পদবি থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন। এগুলো মনে প্রাণে বিশ্বাস করলে আন্দোলনে সফলতা আসবেই আসবে। কেউ পালিয়ে থাকতে পারবেন না, আন্দোলনের ডাক এলে কারাগারে যেতেই হবে। সে ক্ষেত্রে রাজপথ থেকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেলে সেটাই হবে সফলতা।

নির্বাহী সদস্য আবদুল খালেক, রফিক শিকদার, জাহাঙ্গীর আলম, মমিনুল হক, এসএম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তফা খান সফরী, মাহবুব ইসলাম মাহবুব, কাজী রফিক, শেখ মো. শামীম, খন্দকার মারুফ হোসেন, একরামুল হক বিপ্লব, আলাউদ্দিন হেনা, জিয়াউদ্দিন, সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, জিল্লুর রহমান, সিরাজুল হক, সুলতান মাহমুদ বাবু, মাহমুদুল হক রুবেল, ইকবাল হোসেন, লায়লা বেগম, শামসুজ্জামান মেহেদী, আরিফা জেসমিন, রাবেয়া আলী, আনোয়ার হোসেন, মোতাহার হোসেন তালুকদার, মো. ইকবাল, মিজানুর রহমান চৌধুরী, আরিফুল হক চৌধুরী, শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, আবু কাহের শামীম, শাহ মোস্তফা, মজিবুর রহমান, হাসনা আক্তার সানু, গোলাম হায়দার, কাজী মফিজুর রহমান, ফোরকান-ই আলম, সাচিং প্রু জেরী প্রমুখ বৈঠকে অংশ নেন।

শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স। বৈঠক পরিচালনা করেন প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহপ্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম। সার্বিকভাবে সহযোগিতায় ছিলেন দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজুদ্দিন নসু, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মনির হোসেন ও বেলাল আহমেদ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here