বাঁশখালী প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে দীর্ঘ দিন ধরে গডে উঠা চারটি অবৈধ ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনটি ছিদ্র করে সতর্ক করা হয়।
রোববার সকাল থেকে এ অভিযান চলে।
চৌধুরী ব্রিকস নামক একটি ইট ভাটার চুলাসহ নষ্ট করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়। তবে সাথে চৌধুরী ব্রিকসের অবৈধ ইট ভাটার কাঁচা ইট গুলো গুঁড়িয়ে দেয়া হয়নি।বাকি তিনটি ইট ভাটায় ৫০ হাজার করে কাঁচা ইট গুঁড়িয়ে দেয়া হয়
অবৈধ ইট ভাটা গুলো হলো, জয়নাল আবেদনি জন্টুর মালিকানাধীন মেসার্স এম বি এম ব্রিকস, জামাল আহমেদ চৌধুরীর মালিকানাধীন মেসার্স এম বি এম 2 ব্রিকস, শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী ছোটনের মালিকানাধীন খাজা আজমীর ব্রিকস, এবং মতুর্জা আলী চৌধুরীর মালিকানাধীন চৌধুরী ব্রিকস।
অভিয়ানে ছিলেন, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিজানুর রহমান। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আফজারুল ইসলাম। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক নুর হোসেন, বন্দন বিশ্বাস, র্যাব ৭ এর ডি এ ডি খালিদুর রহমান সহ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল, বাঁশখালী থানা পুলিশ।
সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিজানুর রহমান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম এর আওতায় এখানে আমরা র্যাব, পুলিশ ফায়ার সার্ভিস মিলে অবৈধ ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া হলো। সেই সাথে যে ইট ভাটা গুলোর কাগজ পত্র আছে সে গুলোকে আমরা সুয়োগ করে দিচ্ছি। এই অভিয়ান চলমান থাকবে। হয়ত একদিনে সব ইট ভাটা গুঁড়িয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা ইট ভাটায় অভিয়ান পরিচালনা করছি।

