নিউজটি শেয়ার করুন

বাঁশখালীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (৩ নভেম্বর) রাত ৩টা থেকে সোমবার (৪ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে শীলকূপ ইউনিয়নের মনকিরচর গ্রাম থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় মৃত এজাহার মিয়ার ছেলে মো. নাজিরের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। পরে তার বাড়ির সম্মুখে (২০০ ফুট দূরে) খোলা গোয়াল ঘরে বস্তা ভর্তি পরিত্যক্ত অবস্থায় ওসব অস্ত্র পাওয়া যায়। অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে একে-২২, একটি লম্বা বন্দুক, ৪টি এলজি, একটি পাইপ গান, দুটি তাজা কার্তুজ ও দুটি ব্যবহৃত কার্তুজ।

ডিবি পুলিশসহ অর্ধশতাধিক পুলিশের এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ আফরুজুল টুটুল, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মফিজ উদ্দিন, বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রেজাউল করিম মজুমদার, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামাল উদ্দিন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ আফরুজুল টুটুল বলেন, ‘বাঁশখালীতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্রের প্রকৃত মালিককে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে মালিকের পরিচয় পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বাড়ির মালিক মো. নাজির ও তার ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য মো. বাহাদুল আলম হিরন বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করছে। গত মাসের ৬ অক্টোবর র্যাব অভিযান চালায়। এরপর আমরা ১০ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলাম। বাঁশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সাধারণ ডায়েরিও করেছিলাম। তারপর কুচক্রীমহল থেমে নেই। আমরা এরকম হয়রানি থেকে বাঁচতে চায়।

বাঁশখালী থানা পুলিশের ওসি রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে অবৈধ অস্ত্র রয়েছে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলা শাখার গোয়েন্দা ও থানা পুলিশ বাহাদুর আলম হিরণের বাড়ীর গোয়াল ঘরে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে তার বসতবাড়ী হতে কিছু পাওয়া না গেলেও পার্শ্ববর্তী স্থান হতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় একটি একে-২২ সহ ৬টি দেশীয় তৈরী বন্দুক ও এলজি উদ্ধার করা হয়।

অবৈধ অস্ত্রগুলো কার এবং কিভাবে এখানে এসেছে তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।