বাঁশখালীতে ১২ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
বাঁশখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড ঝারকাটা শাহ অলিউল্লাহ মাদ্রাসা ও হেফজখানায় বুধবার(২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টার দিকে স্থানীয় লোকজন ধর্ষণকারী জমিরকে ধরে প্রথমে পৌরসভা কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে পৌর মেয়র আলহাজ্ব শেখ সেলিমুল হক চৌধুরীর নির্দেশক্রমে বাঁশখালী থানার সেকেন্ড অফিসার নাজমুল হক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করে থানায় নিয়ে যায়।
ধর্ষণকারী হচ্ছেন বাঁশখালী থানাধীন পৌরসভার ১ নাম্বার ওর্য়াড়ের লেদু মিয়ার পুত্র জমির হুজুর।
জানা যায় ঐ ছাত্রীকে হেফজা করার জন্য ঝারকাটা শাহ অলিউল্লাহ মাদ্রাসা ও হেফজখানা ভর্তি করায় তার অভিভাবকরা। ধর্ষণকারী পৌরসভার ঝারকাটা শাহ অলিউল্লাহ মাদ্রাসা ও হেফজখানায় দীর্ঘদিন যাবৎ উক্ত মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছেন। মেয়েটি প্রতিদিন হেফজখানায় পড়ত।
মেয়েটি ধর্ষণের ব্যাপারে তার মা বাবাকে জানালে জমির হুজুরকে জিজ্ঞেস করা হয়। পরে হুজুর নিজেই এই ঘটনা স্বীকার করে এবং বাঁশখালী পৌরসভার চৌকিদারকে ডেকে পৌরসভায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
উক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম মজুমদার জানায় এই রকম একটা ঘটনার খবর পেয়ে বাঁশখালী পৌরসভা থেকে বাঁশখালী থানায় সেকেন্ড অফিসার নাজমুল হক জমির নামের এক ব্যক্তিকে চিকিৎসা করে থানায় নিয়ে আসা হয়। মেয়ের পক্ষ হয়ে যদি কেউ এজহার করে তাহলে আমরা মামলা নিবো। সেই সাথে মেয়েকে পরীক্ষা করানোর জন্য আগামীকাল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে। মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী ভিত্তি করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।








