জসীম উদ্দীন, বাঁশখালী: চট্টগ্রাম বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকা গুলোতে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা। বিশেষ করে বাঁশখালীর খানখানাবাদ, বাহারছডা, সরল, শীলকূপ, শেখেরখীল, ছনুয়াসহ প্রায় সাগর উপকূলীয় এলাকা গুলোতে জোয়ারের সময় আজ ২৬ মে ২০২১ বুধবার সকাল ১১ টা বাজার সাথে সাথে কিছু কিছু এলাকা বেড়িবাঁধ উপছে পড়তে দেখা যায় সাগরের লোনা পানি।
সেই সাথে বাঁশখালী সকল সাইক্লোন সেন্টার গুলো খুলে দেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রবণতা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাঁশখালী উপজেলা প্রশাসন।
অন্যদিকে উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বাঁশখালীর কিছু কিছু এলাকায় অরক্ষিত বেড়িবাঁধের কারণে জোয়ারের পানি মানুষের ঘরে ঢুকে যাওয়ায় বিশেষ আশঙ্কাও রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আমরা বর্তমানে বেড়িবাঁধ এর জন্য ঘূর্ণিঝড় থেকে অনেকটা রক্ষা পাচ্ছি। যদি এই বেড়িবাঁধ না থাকতো তাহলে ঘূর্ণিঝড় ত দূরের কথা প্রতিনিয়ত জোয়ারের পানি গুলো আমাদের ঘূর্ণিঝড়ে রুপ নিত। কিছু কিছু এলাকায় টেকশই বেড়িবাঁধ না হওয়াতে প্লাবিত হওয়ার আশংকাও রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশখালীর খানখানাবাদ উপকূলে ইয়াসের প্রভাবে বেড়িবাঁধ উপছে প্রবাহিত হচ্ছে লোনা পানি। আতংকে আছে এলাকাবাসী। সেই সাথে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ও স্থানীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে স্ব স্ব স্থানে মাইকিং করা হচ্ছে। সব ধরনের সাইক্লোন সেন্টার গুলো খুলে দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে সাগর উপকূলীয় এলাকার লোকজন কে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অন্য দিলে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হওয়াতে সাধারণ জনগণ মনে করছে ঘূর্ণিঝড় ইয়েস তেমন প্রভাব ফেলতে পারবে না। বাঁশখালী পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক জানা যায়, আমরা সব সময় জনগণের পাশে আছি, জনগণকে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করার জন্য তাগিদ দিচ্ছি। কিছু কিছু এলাকায় জোয়ারের পানিতে কিছু কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশংকা রয়েছে। তবে এগুলো জোয়ারের পানি চলে গেলে স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানিয়ে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন, আমি বর্তমানে খানখানাবাদ উপকূলীয় এলাকায় আছি। বাঁশখালীর মধ্যে বর্তমানে ভরা জোয়ারের পানির জন্য কিছু কিছু এলাকায় প্লাবিত হইতে পারে। তবে জোয়ার চলে গেলে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ে আশ্রয় নেওয়ার জন্য সব ধরনের সেন্টার গুলো খুলে দেয়া হয়েছে এবং আমার ও মোটামুটি সব ধরনের প্রস্তুত আছি জনগণকে সেবা দেয়ার জন্য। তিনি আরও বলেন, সাইক্লোন সেন্টার গুলোতে মানুষ তেমন যাচ্ছে না।








